আদালতের আদেশে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের আরেকটি ফ্লাটে মালামালের তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে এই কার্যক্রম শুরু করে দুদক।
সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একটি টিম মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের মিরপুর ডিওএইচএসের একটি বাসায় ইনভেন্টরির কার্যক্রমের অভিযান পরিচালনা করছে।
এর আগে গত ২০ জুলাই নারায়নগঞ্জে জিয়াউলের জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পের ডুপ্লেক্স ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় দুদক। ওই ফ্ল্যাট থেকে সাদা সোনা, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক সামগ্রী, অলংকার, শোপিস, ব্যবহার্য সামগ্রীসহ বিভিন্ন সম্পদ পাওয়ার কথা জানায় দুদক।
গত ২৭ জানুয়ারি সাবেক মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নামে থাকা ক্রোককৃত (অ্যাটাচড) স্থাবর সম্পত্তির সঠিক ব্যবস্থাপনা, তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলা প্রশাসক এবং গণপূর্ত বিভাগকে রিসিভার (তত্ত্বাবধায়ক) হিসেবে নিয়োগ দেয় আদালত।
এর আগে গত বছরের ২৪ এপ্রিল ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানের ১৮ কোটি টাকার জমি, বাড়ি ও ফ্ল্যাট ক্রোক এবং ৯টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেন আদালত।
দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন।
এর আগে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ২০২৫ সালের ২৩ জানুয়ারি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।
আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। ২০২৪ সালের ১৫ আগস্ট রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ
























