ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী Logo ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী Logo বৈষম্যহীন দেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী Logo সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা Logo যশোরে জামায়াতের এমপির বাড়ি ভাঙচুর, মহাসড়ক অবরোধ Logo রান্নার জাদুতে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ছড়ালেন প্রবাসীরা Logo দক্ষিণ আফ্রিকার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬ জনের ৫ জনই নারায়ণগঞ্জের Logo ১৬ ডিসেম্বর তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি যথাসময়ে শেষ হবে Logo চট্টগ্রামে ১২ ভরি স্বর্ণ চুরির ঘটনায় গ্রেপ্তার ২, উদ্ধার ১০ ভরি Logo সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বসবে এক হাজার ‘প্লাগ অ্যান্ড প্লে’ ক্যামেরা

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে প্রতিবেদনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা যেন তথ্যভিত্তিক এবং বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। 

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান; পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়াল, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সব ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা

আপডেট সময় ০৪:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রণীত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত ১৮০ দিনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা, নগর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন, গ্রামীণ উন্নয়ন, নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমের বাস্তব অগ্রগতি এবং জনগণের ওপর এর ইতিবাচক প্রভাব যথাযথভাবে প্রতিবেদনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারী ক্ষমতায়ন, স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নে গৃহীত উদ্যোগগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে উপস্থাপনের আহ্বান জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রমে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোর অর্জন, চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা যেন তথ্যভিত্তিক এবং বাস্তবসম্মতভাবে উপস্থাপিত হয়, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের পাশাপাশি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গৃহীত কার্যকর পদক্ষেপগুলোও ১৮০ দিনের অর্জনের অংশ হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা প্রয়োজন। 

তিনি বলেন, জনকল্যাণভিত্তিক উন্নয়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনই সরকারের মূল লক্ষ্য।

প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন সিটি’ দর্শনের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, সমন্বিত ও টেকসই করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। 

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের (এনআইএলজি) মহাপরিচালক ড. রওশন আরা বেগম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, প্রশাসন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আখতার জাহান; পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবদুল আউয়াল, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেল ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, সব সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, সব ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা মশক নিবারণী দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি