ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির মিথ্যা আর ছলনার নাটক Logo মালদ্বীপে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo রংপুর বিভাগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় প্রধানমন্ত্রী Logo বড়াইগ্রামে নাইট্রোজেনবাহী ট্রাক উল্টে মহাসড়কে ঘন ধোঁয়া, আহত ২ Logo প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হাসিনাকে তাড়িয়েছি, যদি ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন জনগণ আপনাদেরও তাড়াবে Logo মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না: পানিসম্পদমন্ত্রী Logo বঙ্গভবনে অফিস, স্পিকারের বাসভবনে থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি Logo টেকসই আর্থিক খাত ও কমিউনিটি উন্নয়নে এসডিজি অ্যাওয়ার্ড পেলো বিকাশ Logo সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় ‌‘হাতিয়ার’ হতে দেওয়া হবে না: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
স্মৃতির পাতায় ২৪-এর ২৬ জুলাই

ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির মিথ্যা আর ছলনার নাটক

ইতিহাসের পৃষ্ঠাগুলো কখনো কখনো স্রেফ কিছু তারিখের সমষ্টি থাকে না; তা হয়ে ওঠে রক্ত, অশ্রু এবং প্রতিরোধের জীবন্ত দলিল। ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই- বাঙালির রাষ্ট্রীয় মানচিত্রে এমনই এক বিষাদময় ও কলঙ্কিত দিন, যা একই সাথে তুলে ধরে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের চরম নির্মমতা এবং স্বাধীনতার চেতনাকে বুটে পিষে মারার এক হিংস্র প্রয়াস।

সেদিনও ধোঁয়া উঠছিল রামপুরার বিটিভি ভবনের ছাই থেকে, রাজপথ জুড়ে ছিটিয়ে ছিল তাজা রক্ত আর কার্তুজের খোসা। তবে তার চেয়েও বড় ভয় ও আতঙ্কের চাদর নেমে এসেছিল মুক্তচিন্তা আর বাকস্বাধীনতার ওপর।

ডিবি কার্যালয়ে তিন সমন্বয়ক
চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন রূপকার- নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও আবু বাকের সংগ্রামীকে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ঠাণ্ডা ঘর তখন পরিণত হয়েছিল এক মানসিক নির্যাতন কেন্দ্রে (মেন্টাল টর্চার সেল)। সেখানে চলে তরুণ এই সমন্বয়কদের ওপর অমানুষিক মানসিক পীড়ন, জোরপূর্বক বক্তব্য আদায়ের চেষ্টা ও তাঁদের উদ্যমকে গুড়িয়ে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত।

তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের সামনে এসে পরম মমতার নাটকে বললেন, ‘সমন্বয়করা নাকি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন, তাই তাঁদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে!’ কি অদ্ভুত, কি করুণ এই ছলনা! যা ছিল স্পষ্টতই এক জবরদস্তি, তাকেই নাম দেওয়া হলো ‘নিরাপত্তা’। বন্দুকের নলে সততাকে বন্দি করে নিজেদের রক্ষাকবচ তৈরির এই পায়তারা দেশবাসী ধিক্কারের সাথে প্রত্যক্ষ করেছিল।

ব্লক রেইড ও গণগ্রেপ্তার 
গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা হরণের সবকটি কৌশল সেদিন প্রয়োগ করা হয়েছিল। রাজধানীর অলিগলিতে চলছিল ‘ব্লক রেইড’। সাধারণ ছাত্র, বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও অন্যান্য শরিক দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আমজনতা—কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি। বিএনপির ৩৫ জন কেন্দ্রীয় নেতাসহ ১৭ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে ৬ হাজার ২৬৪ জন গণতন্ত্রকামী মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুরো দেশটাকে যেন একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত করা হয়েছিল। পুলিশ এবং বিজিবি-কে রূপ দেওয়া হয়েছিল একদলীয় শাসনের রাজনৈতিক হাতিয়ারে। জনগণের রাজস্বের টাকায় কেনা বুট আর বুলেট রাজপথে আছড়ে পড়ছিল সেই জনগণেরই বুকের ওপর। আর পেছনে দাঁড়িয়ে আমলাতন্ত্র তাদের নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী এই দানবীয় ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে ব্যস্ত ছিল তোষামোদে।

লাশের মিছিল ও আন্তর্জাতিক স্তব্ধতা
রাজপথ থেকে হাসপাতাল- সবখানেই কান্নার রোল। ১৬ জুলাই থেকে ২৬ জুলাইয়ের গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ২০৯টি তাজা প্রাণ স্তব্ধ হয়ে যায়। শুধু ২৬ জুলাই দুপুর পর্যন্ত নতুন করে ৭৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, আর ওদিকে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ে হার মানছিলেন আরও অনেকে।

রংপুরের মাটি সেদিন ভিজেছিল শহীদ আবু সাঈদের জন্য রক্তশ্রুতে, যার পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে কেবল একটা অর্থের চেকই যথেষ্ট ছিল না। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘শহীদ রুদ্র তোরণ’ নামকরণ করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল- এই রক্ত মিছে যেতে দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর তীব্র প্রতিক্রিয়া। জাতিসংঘের গভীর উদ্বেগ, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি ড. রূপা হকের প্রশ্ন এবং কানাডার তীব্র বিস্ময় বিশ্বমঞ্চে তৎকালীন সরকারের স্বৈরাচারী রূপকে অনাবৃত করে দেয়। টিআইবি এবং সুজনের মতো সংস্থাগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়- দাবি আদায় বা ভিন্নমত পোষণ অপরাধ নয়, এটি সাংবিধানিক অধিকার।

অপপ্রচার বনাম মুক্তির লড়াই
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিষবাষ্প ছড়িয়ে যখন প্রকৃত সত্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, তখনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিচ্ছিলেন মুক্তিকামী নেতারা। সকল ভয়-ভীতি ও অভিযানের মুখেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লিখতে সাংবাদিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছিল। বিএনপি ও এর শরিক দলগুলো স্বৈরাচারের একচ্ছত্র ক্ষমতার মসনদ উল্টে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেয়, যার নেপথ্যে প্রেরণা জোগাচ্ছিল সাধারণ ছাত্র-জনতার অদম্য সাহস।

২৬ জুলাই কেবল একটি তারিখ নয়; এটি ফ্যাসিস্ট শক্তির শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার সেই কালপর্ব, যেখানে পুলিশি নির্যাতন, আমলাতান্ত্রিক ষড়যন্ত্র আর রাষ্ট্রের সশস্ত্র বলপ্রয়োগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রচিত হয়েছিল এক নতুন ভোরের ভিত। ইতিহাস সাক্ষী, যে রক্ত সেদিন রাজপথে ঝরেছিল, তা বৃথা যায়নি- তা হয়ে থেকেছে স্বৈরাচারের পতন এবং স্বাধীনতার পুনর্জন্মের রক্তিম স্বাক্ষর।

বাংলা৭১নিউজ/িএসএইচবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির মিথ্যা আর ছলনার নাটক

স্মৃতির পাতায় ২৪-এর ২৬ জুলাই

ছাত্র-জনতার রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে শাসকশ্রেণির মিথ্যা আর ছলনার নাটক

আপডেট সময় ০৭:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

ইতিহাসের পৃষ্ঠাগুলো কখনো কখনো স্রেফ কিছু তারিখের সমষ্টি থাকে না; তা হয়ে ওঠে রক্ত, অশ্রু এবং প্রতিরোধের জীবন্ত দলিল। ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই- বাঙালির রাষ্ট্রীয় মানচিত্রে এমনই এক বিষাদময় ও কলঙ্কিত দিন, যা একই সাথে তুলে ধরে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের চরম নির্মমতা এবং স্বাধীনতার চেতনাকে বুটে পিষে মারার এক হিংস্র প্রয়াস।

সেদিনও ধোঁয়া উঠছিল রামপুরার বিটিভি ভবনের ছাই থেকে, রাজপথ জুড়ে ছিটিয়ে ছিল তাজা রক্ত আর কার্তুজের খোসা। তবে তার চেয়েও বড় ভয় ও আতঙ্কের চাদর নেমে এসেছিল মুক্তচিন্তা আর বাকস্বাধীনতার ওপর।

ডিবি কার্যালয়ে তিন সমন্বয়ক
চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হলো কোটা সংস্কার আন্দোলনের তিন রূপকার- নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও আবু বাকের সংগ্রামীকে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ঠাণ্ডা ঘর তখন পরিণত হয়েছিল এক মানসিক নির্যাতন কেন্দ্রে (মেন্টাল টর্চার সেল)। সেখানে চলে তরুণ এই সমন্বয়কদের ওপর অমানুষিক মানসিক পীড়ন, জোরপূর্বক বক্তব্য আদায়ের চেষ্টা ও তাঁদের উদ্যমকে গুড়িয়ে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত।

তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের সামনে এসে পরম মমতার নাটকে বললেন, ‘সমন্বয়করা নাকি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন, তাই তাঁদের ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে!’ কি অদ্ভুত, কি করুণ এই ছলনা! যা ছিল স্পষ্টতই এক জবরদস্তি, তাকেই নাম দেওয়া হলো ‘নিরাপত্তা’। বন্দুকের নলে সততাকে বন্দি করে নিজেদের রক্ষাকবচ তৈরির এই পায়তারা দেশবাসী ধিক্কারের সাথে প্রত্যক্ষ করেছিল।

ব্লক রেইড ও গণগ্রেপ্তার 
গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা হরণের সবকটি কৌশল সেদিন প্রয়োগ করা হয়েছিল। রাজধানীর অলিগলিতে চলছিল ‘ব্লক রেইড’। সাধারণ ছাত্র, বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও অন্যান্য শরিক দলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে আমজনতা—কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি। বিএনপির ৩৫ জন কেন্দ্রীয় নেতাসহ ১৭ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে ৬ হাজার ২৬৪ জন গণতন্ত্রকামী মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুরো দেশটাকে যেন একটা উন্মুক্ত কারাগারে পরিণত করা হয়েছিল। পুলিশ এবং বিজিবি-কে রূপ দেওয়া হয়েছিল একদলীয় শাসনের রাজনৈতিক হাতিয়ারে। জনগণের রাজস্বের টাকায় কেনা বুট আর বুলেট রাজপথে আছড়ে পড়ছিল সেই জনগণেরই বুকের ওপর। আর পেছনে দাঁড়িয়ে আমলাতন্ত্র তাদের নীতি-নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে গণতন্ত্রবিরোধী এই দানবীয় ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে ব্যস্ত ছিল তোষামোদে।

লাশের মিছিল ও আন্তর্জাতিক স্তব্ধতা
রাজপথ থেকে হাসপাতাল- সবখানেই কান্নার রোল। ১৬ জুলাই থেকে ২৬ জুলাইয়ের গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, অন্তত ২০৯টি তাজা প্রাণ স্তব্ধ হয়ে যায়। শুধু ২৬ জুলাই দুপুর পর্যন্ত নতুন করে ৭৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়, আর ওদিকে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ে হার মানছিলেন আরও অনেকে।

রংপুরের মাটি সেদিন ভিজেছিল শহীদ আবু সাঈদের জন্য রক্তশ্রুতে, যার পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে কেবল একটা অর্থের চেকই যথেষ্ট ছিল না। সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘শহীদ রুদ্র তোরণ’ নামকরণ করে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল- এই রক্ত মিছে যেতে দেওয়া হবে না।

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর তীব্র প্রতিক্রিয়া। জাতিসংঘের গভীর উদ্বেগ, ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি ড. রূপা হকের প্রশ্ন এবং কানাডার তীব্র বিস্ময় বিশ্বমঞ্চে তৎকালীন সরকারের স্বৈরাচারী রূপকে অনাবৃত করে দেয়। টিআইবি এবং সুজনের মতো সংস্থাগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়- দাবি আদায় বা ভিন্নমত পোষণ অপরাধ নয়, এটি সাংবিধানিক অধিকার।

অপপ্রচার বনাম মুক্তির লড়াই
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের বিষবাষ্প ছড়িয়ে যখন প্রকৃত সত্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, তখনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর তাগিদ দিচ্ছিলেন মুক্তিকামী নেতারা। সকল ভয়-ভীতি ও অভিযানের মুখেও সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে লিখতে সাংবাদিকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হচ্ছিল। বিএনপি ও এর শরিক দলগুলো স্বৈরাচারের একচ্ছত্র ক্ষমতার মসনদ উল্টে দেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্যের ডাক দেয়, যার নেপথ্যে প্রেরণা জোগাচ্ছিল সাধারণ ছাত্র-জনতার অদম্য সাহস।

২৬ জুলাই কেবল একটি তারিখ নয়; এটি ফ্যাসিস্ট শক্তির শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার সেই কালপর্ব, যেখানে পুলিশি নির্যাতন, আমলাতান্ত্রিক ষড়যন্ত্র আর রাষ্ট্রের সশস্ত্র বলপ্রয়োগকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রচিত হয়েছিল এক নতুন ভোরের ভিত। ইতিহাস সাক্ষী, যে রক্ত সেদিন রাজপথে ঝরেছিল, তা বৃথা যায়নি- তা হয়ে থেকেছে স্বৈরাচারের পতন এবং স্বাধীনতার পুনর্জন্মের রক্তিম স্বাক্ষর।

বাংলা৭১নিউজ/িএসএইচবি