ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’

বন্যাকবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে, রাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হবে।

রবিবার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালীর দুর্যোগকবলিত পশ্চিম চাম্বল ইউনিয়নের ডিপুটি ঘোনা এলাকায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘বহু পরিবারকে আবার নতুন করে সংসার গুছিয়ে নিতে হবে। তাই বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে রাষ্ট্রকে আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ত্রাণ বিতরণ বা পুনর্বাসনই যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ ভাটির দেশ হওয়ায় বন্যা একটি বাস্তবতা। তাই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারের প্রস্তুতি, নদী ব্যবস্থাপনা ও বন্যা মোকাবিলায় কোনো ঘাটতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বন্যার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত।’

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রধান আলহাজ আব্দুর রহমান, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি মাওলানা মুজাহিদ সগীর আহমদ চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘বন্যা কবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্ব নিতে হবে’

আপডেট সময় ০৬:৩১:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বন্যাকবলিত মানুষের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রকে দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে, রাষ্ট্রের সহযোগিতা ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফেরা কঠিন হবে।

রবিবার (১২ জুলাই) চট্টগ্রামের বাঁশখালীর দুর্যোগকবলিত পশ্চিম চাম্বল ইউনিয়নের ডিপুটি ঘোনা এলাকায় বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বাঁশখালী ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং জরুরি সহায়তা পৌঁছে দেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘বহু পরিবারকে আবার নতুন করে সংসার গুছিয়ে নিতে হবে। তাই বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন কার্যক্রমে রাষ্ট্রকে আন্তরিক ও কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুধু ত্রাণ বিতরণ বা পুনর্বাসনই যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ ভাটির দেশ হওয়ায় বন্যা একটি বাস্তবতা। তাই ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারের প্রস্তুতি, নদী ব্যবস্থাপনা ও বন্যা মোকাবিলায় কোনো ঘাটতি আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। বন্যার বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করা উচিত।’

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ বিভাগের প্রধান আলহাজ আব্দুর রহমান, কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা আলহাজ জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি মাওলানা মুজাহিদ সগীর আহমদ চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতারা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএস