ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সুয়াদি এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজন নিহত এবং অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার ঘটনায় রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি।
শনিবার সন্ধ্যায় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ নামের একটি যাত্রীবাহী বাস উঠে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সুয়াদি গ্রামের তিনজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর বাসচালক পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ জনতা দুর্ঘটনাকবলিত বাসসহ অন্তত ছয়টি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে শনিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টা থেকে রাত প্রায় দেড়টা পর্যন্ত ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলালউদ্দিন জানান, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে। বৈরি আবহাওয়া এবং নিহতদের দাফন নিয়ে পরিবারের সদস্যরা ব্যস্ত থাকায় মামলা করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।
দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে বাসটির ব্রেক ফেল হওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তার ভাষ্য, প্রায় আধা কিলোমিটার আগে থেকেই বাসটির ব্রেক বিকল হয়ে যায় এবং স্টিয়ারিং লক হয়ে যায়। ফলে চালক আর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের ওপর উঠে যায়।
বাংলা৭১নিউজ/এসএন




























