ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ Logo বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী Logo ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত Logo সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে বন্যার্ত মানুষের পাশে রয়েছে : মাহদী আমিন Logo ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক আমানতকারীরা, দুশ্চিন্তার কিছু নেই Logo ওআইসির সম্মেলনে যোগ দিতে ইসলামাবাদে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী Logo পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা সরকারের Logo ফরিদপুরে বাসচাপায় ৫ জন নিহত, ৬ গাড়িতে আগুন Logo সীমান্তে ভারত সুড়সুড়ি দিচ্ছে: জামায়াত আমির Logo এবার ১৮ দিনেই শাহজালালের মাজারের দানবাক্সে মিলল ৪৭ লাখ টাকা

বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, খাল-নালা দখল ও জলপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার কারণেই দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছে। গতকাল অনেক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাঁশখালীর সব স্লুইসগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজকে খুব দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। খাল দখল, জলপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতা আরও বেড়েছে। অতীতে প্রভাবশালীরা আইনের তোয়াক্কা না করে এসব অনিয়ম করেছেন। বর্তমান সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করবে।

তিনি জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছে দিতে কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসার ও অন্যান্য সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পানি নেমে যাওয়ার পর দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

নগরের জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, খাল পুনরুদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কাজ করছে। তবে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন করলেই হবে না, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। বাড়ির সামনের নালা-ড্রেন পরিষ্কার রাখলে পানি সহজে খালে এবং খাল থেকে নদীতে প্রবাহিত হতে পারবে, ফলে জলাবদ্ধতাও কমে আসবে।

এর আগে বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয় করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদত হোসেন, চট্টগ্রান ৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বস্তির জয়ে হোয়াইটওয়াশ এড়াল বাংলাদেশ

বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৪৬:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, খাল-নালা দখল ও জলপ্রবাহে প্রতিবন্ধকতার কারণেই দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

শনিবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব ও অব্যবস্থাপনার কারণে এ সমস্যাগুলো তৈরি হয়েছে। গতকাল অনেক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাঁশখালীর সব স্লুইসগেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজকে খুব দ্রুত পানি নেমে যাচ্ছে। খাল দখল, জলপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি এবং অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতা আরও বেড়েছে। অতীতে প্রভাবশালীরা আইনের তোয়াক্কা না করে এসব অনিয়ম করেছেন। বর্তমান সরকার জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করবে।

তিনি জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকাতেও ত্রাণ পৌঁছে দিতে কোস্টগার্ড, বিজিবি, আনসার ও অন্যান্য সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। পানি নেমে যাওয়ার পর দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং ভবিষ্যতে জলাবদ্ধতা ও বন্যা পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

নগরের জলাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, খাল পুনরুদ্ধার ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) কাজ করছে। তবে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন করলেই হবে না, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। বাড়ির সামনের নালা-ড্রেন পরিষ্কার রাখলে পানি সহজে খালে এবং খাল থেকে নদীতে প্রবাহিত হতে পারবে, ফলে জলাবদ্ধতাও কমে আসবে।

এর আগে বন্যা দুর্গতদের ত্রাণ বিতরণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম সমন্বয় করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও সংস্থার সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রতিমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদত হোসেন, চট্টগ্রান ৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, চট্টগ্রাম ১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. জিয়াউদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা প্রমুখ।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম