দীর্ঘ এক যুগ পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।
শনিবার (২৩ মে) বিকেল ৪টায় নগরের আগ্রাবাদ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নিচতলায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে ছিল ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ভিড়।
সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সকাল ৮টা থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি দেখা যায় কেন্দ্রে। ১৭টি বুথে সাধারণ ও সহযোগী শ্রেণির সদস্যরা ভোট দেন। সাধারণ শ্রেণির ভোটাররা ১২টি এবং সহযোগী শ্রেণির ভোটাররা ৬টি ভোট দেওয়ার সুযোগ পান।
চেম্বার সূত্র জানায়, ব্যবসায়ীদের ভোটে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন ক্যাটাগরি থেকে ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন। পরে নির্বাচিত পরিচালকদের ভোটে সভাপতি ও দুই সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা হবে।
চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণিতে ৩৭ জন এবং সহযোগী শ্রেণিতে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৬ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন।
এবারের নির্বাচন ঘিরে দুটি প্যানেল মাঠে ছিল। একটি এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’ এবং অন্যটি আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’। তবে ভোটের আগের দিন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রার্থীদের নাম ব্যালটে বহাল থাকে।
নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ


























