শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন

টানা গেল না লাগাম, সরকারের শেষ সময়ে আরও বাড়ল মূল্যস্ফীতি

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়া হয়েছে

বারবার কমানোর কথা বললেও বাস্তবে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে ব্যর্থ অন্তর্র্বতী সরকার। শেষ সময়ে এসে সেই মূল্যস্ফীতি আরও এক দফা বেড়েছে। এই নিয়ে টানা তিন মাস। ফলে নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের চাপ আরও বাড়ল।

গত জানুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ। গত ডিসেম্বর ও নভেম্বরেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছিল।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে।

তাতে দেখা যায়, ডিসেম্বরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এর আগে নভেম্বর মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এদিকে নির্বাচনের পর নতুন সরকার সাড়ে আট শতাংশের বেশি মূল্যস্ফীতি পাবে। যা কমানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত জানুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ। টানা চার মাস ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

তিন বছর ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।

যেভাবে প্রভাব ফেলে মূল্যস্ফীতি

মূল্যস্ফীতি এক ধরনের করের মতো। আপনার প্রতি মাসে আয়ের পুরোটাই সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ জিনিসপত্রের দাম বাড়লে এবং সে অনুযায়ী আপনার আয় না বাড়লে আপনাকে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হবে কিংবা খাবার, কাপড়চোপড়, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে কাটছাঁট করতে হবে।

মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধি বা আয় বৃদ্ধি কম হলে সাধারণ মানুষের কষ্ট বাড়ে। প্রকৃত আয় কমে যায়।

বিবিএস বলছে, গত জানুয়ারিতে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। এর মানে হলো, মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম।

অন্যদিকে মূল্যস্ফীতির হার কমে যাওয়া মানে জিনিসপত্রের দাম কমে যাওয়া নয়। অন্যান্য মাসের তুলনায় ওই নির্দিষ্ট মাসে মূল্যবৃদ্ধি হয়তো কিছুটা কম হয়েছে, এটাই বোঝায়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com