শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল

করাচিতে শপিং মলে আগুন : নিহত ২৮, নিখোঁজ ৮১

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫২ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির ব্যস্ততম শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ৮১ জন। এ ঘটনায় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস।

১৯৮০ সালে নির্মিত চারতলা বিশিষ্ট গুল প্লাজা করাচির অন্যতম বড় শপিং মল। একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় এই মার্কেটে রয়েছে প্রায় এক হাজার দুই শতাধিক দোকান। আগুনে এসব দোকানের অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে।

গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার গুল প্লাজায় আগুনের সূত্রপাত হয়। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো মার্কেটজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের টানা ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটকে আগুনের কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা এত বেশি হওয়ার জন্য গুল প্লাজার অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ।

করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, গুল প্লাজায় মোট ২৬টি গেট থাকলেও চলাচলের জন্য মাত্র দুটি খোলা থাকত। আগুন লাগার সময় বাকি গেটগুলো বন্ধই ছিল। ফলে শত শত মানুষ শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে আটকা পড়েন। এছাড়া মার্কেটের অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রগুলোও কার্যকারিতা হারিয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, করাচির ইতিহাসে এত বড় অগ্নিকাণ্ড আগে দেখা যায়নি। করাচি পুলিশের কর্মকর্তা ও চিকিৎসক ডা সুমাইয়া সাঈদ জানান, নিহত ও আহতদের করাচির সিভিক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত নিহত ২৮ জনের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহত ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের ডিএনএ নমুনা দিতে বলা হয়েছে। নিখোঁজ ৮১ জনের মধ্যে ৭৪ জনের নামের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

বুধবার গুল প্লাজার প্রথম তলার উদ্ধার ও অনুসন্ধান কাজ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় উদ্ধার অভিযান শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে।

করাচি পাকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের রাজধানী এবং দেশটির প্রধান বন্দরনগরী। পাকিস্তানের বৈদেশিক বাণিজ্যের প্রায় ৮০ শতাংশ এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

করাচির গভর্নর কামরান তেসোরি অগ্নিকাণ্ডে নিহত ও আহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

বাংলা৭১নিউজ/এএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com