ঢাকা ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ষীয়ান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্তর পরলোকগমন

ভারতের বর্ষীয়ান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্ত আর নেই। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার। বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিভা সেনগুপ্ত। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত জটিলতায়। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী শ্রাবণী সেন। তিনি বলেন, “উনি এমনিতে সুস্থ-সবলই ছিলেন। মাঝেমাঝে শুনতাম রক্ত দিতে হয়। সম্ভবত হিমোগ্লোবিন কম ছিল।”

এদিকে কদিন আগে বিভা সেনগুপ্তকে তার বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছে একটি সংস্থা। শোক জানিয়ে সংগীতশিল্পী অলক রায়চৌধুরী বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসের ২৯ তারিখ বিভাদিকে ‘লোকভারতী’ সংস্থার পক্ষ থেকে ওঁনার বাড়িতে গিয়েই সংবর্ধনা জানাই। সে দিন ওঁনাকে খুব স্বতঃস্ফূর্ত দেখেছিলাম। কত গল্প হলো।”

সংগীতের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা বিভা সেনগুপ্তের। তবে ছিলেন নিভৃতচারী। শেষের দিকে এসেছিলেন প্রচারের আলোয়। প্রসঙ্গটি টেনে অলক বলেন, “শেষ দশ-বারো বছরে অনেকখানি প্রচার পেলেন বিভাদি। মানুষ তাকে চিনল বেশি করে। কিন্তু এ সব নিয়ে ওঁনার মাথাব্যথা ছিল না। যত্ন নিয়ে শেখাতেন, ছাত্রছাত্রী তৈরি করতেন। অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে গুরু দেবব্রত বিশ্বাসের জন্মদিন পালন করতেন।”

জন্মসূত্রে ছিলেন ত্রিপুরার বাসিন্দা বিভা সেনগুপ্ত। কলকাতায় থিতু হন ১৯৫৯ সালে। সংগীতে প্রবেশ করেন মায়া সেনের হাত ধরে। পরে গান শেখাতেন একটি সংগীত শিক্ষাকেন্দ্রে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

বর্ষীয়ান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্তর পরলোকগমন

আপডেট সময় ১১:৫৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের বর্ষীয়ান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিভা সেনগুপ্ত আর নেই। আজ মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তার। বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।

বেশ কিছুদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বিভা সেনগুপ্ত। ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত জটিলতায়। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন সংগীতশিল্পী শ্রাবণী সেন। তিনি বলেন, “উনি এমনিতে সুস্থ-সবলই ছিলেন। মাঝেমাঝে শুনতাম রক্ত দিতে হয়। সম্ভবত হিমোগ্লোবিন কম ছিল।”

এদিকে কদিন আগে বিভা সেনগুপ্তকে তার বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছে একটি সংস্থা। শোক জানিয়ে সংগীতশিল্পী অলক রায়চৌধুরী বলেন, “সেপ্টেম্বর মাসের ২৯ তারিখ বিভাদিকে ‘লোকভারতী’ সংস্থার পক্ষ থেকে ওঁনার বাড়িতে গিয়েই সংবর্ধনা জানাই। সে দিন ওঁনাকে খুব স্বতঃস্ফূর্ত দেখেছিলাম। কত গল্প হলো।”

সংগীতের সঙ্গে দীর্ঘ পথচলা বিভা সেনগুপ্তের। তবে ছিলেন নিভৃতচারী। শেষের দিকে এসেছিলেন প্রচারের আলোয়। প্রসঙ্গটি টেনে অলক বলেন, “শেষ দশ-বারো বছরে অনেকখানি প্রচার পেলেন বিভাদি। মানুষ তাকে চিনল বেশি করে। কিন্তু এ সব নিয়ে ওঁনার মাথাব্যথা ছিল না। যত্ন নিয়ে শেখাতেন, ছাত্রছাত্রী তৈরি করতেন। অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে গুরু দেবব্রত বিশ্বাসের জন্মদিন পালন করতেন।”

জন্মসূত্রে ছিলেন ত্রিপুরার বাসিন্দা বিভা সেনগুপ্ত। কলকাতায় থিতু হন ১৯৫৯ সালে। সংগীতে প্রবেশ করেন মায়া সেনের হাত ধরে। পরে গান শেখাতেন একটি সংগীত শিক্ষাকেন্দ্রে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস