ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo ফরিদপুরে ফুচকা খাওয়ার সময় হাসাহাসি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬ Logo ব্যাংকের ভেতর থেকে ৪ লাখ টাকা চুরির ঘটনায় যুবক গ্রেপ্তার Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী Logo দুটি দাবি পূরণ হলেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে ভাবা সম্ভব: রাশেদ খাঁন Logo মাছ ধরে ফেরার পথে বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, ১৪ জেলে উদ্ধার Logo যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন ডিজেলের দাম ছাড়াল ৬ ডলার Logo বরগুনায় ৩৫০ কেজি হরিণের মাংসসহ আটক ১ Logo ময়মনসিংহে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২ Logo শনিবার ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ভারতের সঙ্গে করা বিগত ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার

টাকা জমা দিতে গিয়ে বিপাকে গ্রাহক, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল ব্যাংক কর্মকর্তার টাকা সরানোর দৃশ্য

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখায় এক নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা সরিয়ে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাংকসহ পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে আল-আমিন শেখ নামে এক গ্রাহক হজে যাওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা জমা দিতে সোনালী ব্যাংক ঘাঘর বাজার শাখায় যান। তিনি ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হকের কাছে পাঁচ লাখ টাকা বুঝিয়ে দেন। টাকা গণনার পর ক্যাশ অফিসার জানান, সেখানে চার হাজার পাঁচশ টাকা কম রয়েছে। তবে গ্রাহক আল-আমিন শেখ দাবি করেন তিনি পুরো পাঁচ লাখ টাকাই দিয়েছেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

একপর্যায়ে গ্রাহক আল-আমিন শেখ চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপক ফয়সাল হোসেনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানান। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গ্রাহক পুরো পাঁচ লাখ টাকাই জমা দিয়েছিলেন এবং ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হক গোপনে পাঁচশত টাকার নয়টি নোট অন্যত্র সরিয়ে রেখেছিলেন।

গ্রাহক আল-আমিন শেখ বলেন, হজে যাওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখায় গিয়ে ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হকের কাছে পাঁচ লাখ টাকা জমা দেই। কিছুক্ষণ পর তিনি জানান সাড়ে চার হাজার টাকা কম আছে। আমি ম্যানেজারের কাছে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানাই। ফুটেজে আমার দাবির সত্যতা মেলে। এর আগেও ফৈজিয়া হক একইভাবে আমার দুই হাজার টাকা সরিয়েছিলেন। আমি এই কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হক বলেন, ব্যাংকে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় ভুলবশত এমন ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে আমি গ্রাহকের চার হাজার পাঁচশ টাকা ফেরত দিয়েছি।

সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখার ব্যবস্থাপক ফয়সাল হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রাহক আল-আমিন শেখের টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

ফরিদপুরে ফুচকা খাওয়ার সময় হাসাহাসি নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৬

টাকা জমা দিতে গিয়ে বিপাকে গ্রাহক, সিসিটিভিতে ধরা পড়ল ব্যাংক কর্মকর্তার টাকা সরানোর দৃশ্য

আপডেট সময় ১১:০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখায় এক নারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রাহকের টাকা সরিয়ে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ব্যাংকসহ পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে আল-আমিন শেখ নামে এক গ্রাহক হজে যাওয়ার জন্য পাঁচ লাখ টাকা জমা দিতে সোনালী ব্যাংক ঘাঘর বাজার শাখায় যান। তিনি ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হকের কাছে পাঁচ লাখ টাকা বুঝিয়ে দেন। টাকা গণনার পর ক্যাশ অফিসার জানান, সেখানে চার হাজার পাঁচশ টাকা কম রয়েছে। তবে গ্রাহক আল-আমিন শেখ দাবি করেন তিনি পুরো পাঁচ লাখ টাকাই দিয়েছেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে শুরু হয় বাগ্‌বিতণ্ডা।

একপর্যায়ে গ্রাহক আল-আমিন শেখ চ্যালেঞ্জ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপক ফয়সাল হোসেনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানান। পরে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গ্রাহক পুরো পাঁচ লাখ টাকাই জমা দিয়েছিলেন এবং ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হক গোপনে পাঁচশত টাকার নয়টি নোট অন্যত্র সরিয়ে রেখেছিলেন।

গ্রাহক আল-আমিন শেখ বলেন, হজে যাওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখায় গিয়ে ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হকের কাছে পাঁচ লাখ টাকা জমা দেই। কিছুক্ষণ পর তিনি জানান সাড়ে চার হাজার টাকা কম আছে। আমি ম্যানেজারের কাছে গিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখার দাবি জানাই। ফুটেজে আমার দাবির সত্যতা মেলে। এর আগেও ফৈজিয়া হক একইভাবে আমার দুই হাজার টাকা সরিয়েছিলেন। আমি এই কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ক্যাশ অফিসার ফৈজিয়া হক বলেন, ব্যাংকে অতিরিক্ত ভিড় থাকায় ভুলবশত এমন ঘটনা ঘটেছে। পরবর্তীতে আমি গ্রাহকের চার হাজার পাঁচশ টাকা ফেরত দিয়েছি।

সোনালী ব্যাংক ঘাঘর শাখার ব্যবস্থাপক ফয়সাল হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে গ্রাহক আল-আমিন শেখের টাকা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ