না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন প্রখ্যাত তেলেগু অভিনেতা জিভি নারায়ণ রাও। গত ২৬ আগস্ট রাতে হায়দরাবাদে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে তার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। আর অভিনেতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী ক্যারাটে কল্যাণী।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বৈকুণ্ঠ মহাপ্রস্থানম শ্মশানে অভিনেতা নারায়ণের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে। আর তার আকস্মিক এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রিতে।
১৯৭৬ সালে কে বলচন্দরের ‘অন্থুলেনি কথা’র মাধ্যমে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে অভিষেক করেন নারায়ণ রাও। পাঁচ দশকের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে প্রায় শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। প্রধান চরিত্রে তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ওকা উরি কথা’ (১৯৭৭), ‘উড়ুকিছিনা মাতা’ (১৯৮১) এবং ‘মঞ্চু পাল্লাকি’ (১৯৮২)। ‘চিলকম্মা চেপ্পিন্দি’, ‘মুথিয়ালা পাল্লাকি’, চিরঞ্জীবীর ‘গ্যাং লিডার’ এবং ‘হিটলার’র মতো কয়েকটি বাণিজ্যিকভাবে সফল সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন।
নারায়ণ রাও ক্যারিয়ারে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে চিরঞ্জীবী এবং রজনীকান্তের মতো শীর্ষ তারকাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সিনেমা প্রযোজনাও করেছেন। ১৯৮১ সালে ‘চেট্টানিক কাল্লু লেভু’, ১৯৮৪ সালে ‘দেবান্থাকুডু’ এবং ১৯৮৮ সালে ‘যমুডিকি মগুডু’র মতো সিনেমা প্রযোজনা করেছেন।
এ অভিনেতা শুধু বড়পর্দায়ই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। টেলিভিশনেরও পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন এবং ‘পাসুপু কুমকুমা’ ও ‘সুন্দরকাণ্ড’র মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন নারায়ণ রাও।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস




























