ঢাকা ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক, বড় জয়ে বার্নাব্যুতে মরিনহোর প্রত্যাবর্তন রাঙাল রিয়াল

চলতি মৌসুমে নিজেদের প্রথম হোম ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদের। এই ম্যাচে দুর্দন্ত ফুটবল খেলে বড় জয় তুলে নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। সেই সঙ্গে এই জয় দিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিজের প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয় করে রেখেছেন কোচ হোসে মরিনহো।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। আরেকটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টারবয় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

এদিন ম্যাচের ১০ মিনিট পর এগিয়ে যেতে পারতো রিয়াল। এমবাপের পাস ডি-বক্সে একদম ফাঁকায় পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস, সামনে একমাত্র বাধা ছিলেন গোলরক্ষক। তবে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট পা দিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো।

৩৫তম মিনিটে আবারও ভীতি ছড়ায় সোসিয়েদাদ। ডান দিক থেকে ওইয়ারসাবালের বাড়ানো ক্রস ডি-বক্সে বাঁ দিকে পেয়ে জোরাল ভলি করেন সের্হিও গোমেস, বল দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। এর পাঁচ মিনিট পরই এমবাপের নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। 

ফেদে ভালভের্দের দারুন এক পাস ডি-বক্সে অসাধারণ এক ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ফাঁকে প্রতিপক্ষের একজনের বাধা এড়ান এবং নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। তাদের এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ অবশ্য চার মিনিটও স্থায়ী হয়নি। 

ডি-বক্সে ওচিয়েংয়ের দুর্বল শট এক স্বাগতিক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে অন্যপাশে চলে যায় বল, বিনা বাধায় ছুটে এসে অনায়াসে কোনাকুনি শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুচিচ।

বিরতির পর আক্রমণে জোর দেয় রিয়াল এবং ৬০তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় তারা। বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝেই জায়গা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে।

আট মিনিট পর ভিনিসিয়ুসের গোলে জয়ের পথে এগিয়ে যায় রেয়াল। গোলটিতে মূল কৃতিত্ব অবশ্য বেলিংহ্যামের। দায় আছে সোসিয়েদাদ রক্ষণেরও। নিজেদের সীমানায় সফরকারী দল পজেশন হারানোর পর, সতীর্থের পাস ডি-বক্সের মুখে পেয়ে দুইজনের মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেন বেলিংহ্যাম। 

প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে সেটা প্রতিহত হয়, তবে থামেননি ইংলিশ তারকা। বল কেড়ে নিয়ে বাইলাইন থেকে গোলমুখে পাস বাড়ান তিনি, আর বিনা বাধায় টোকায় বল জালে জড়ান ভিনিসিয়ুস।

৮০তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ফরাসি তারকা। প্রতিপক্ষের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে থ্রু বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস, আর ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে। এতে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

এতে লা লিগায় টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে সেভিয়া ও রিয়াল বেতিস।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

এমবাপ্পের হ্যাটট্রিক, বড় জয়ে বার্নাব্যুতে মরিনহোর প্রত্যাবর্তন রাঙাল রিয়াল

আপডেট সময় ০৯:১৫:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

চলতি মৌসুমে নিজেদের প্রথম হোম ম্যাচে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদের। এই ম্যাচে দুর্দন্ত ফুটবল খেলে বড় জয় তুলে নিয়েছে লস ব্লাঙ্কোসরা। সেই সঙ্গে এই জয় দিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নিজের প্রত্যাবর্তনটা স্মরণীয় করে রেখেছেন কোচ হোসে মরিনহো।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) রাতে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল। এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। আরেকটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান পোস্টারবয় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

এদিন ম্যাচের ১০ মিনিট পর এগিয়ে যেতে পারতো রিয়াল। এমবাপের পাস ডি-বক্সে একদম ফাঁকায় পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস, সামনে একমাত্র বাধা ছিলেন গোলরক্ষক। তবে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট পা দিয়ে রুখে দেন গোলরক্ষক আলেক্স রেমিরো।

৩৫তম মিনিটে আবারও ভীতি ছড়ায় সোসিয়েদাদ। ডান দিক থেকে ওইয়ারসাবালের বাড়ানো ক্রস ডি-বক্সে বাঁ দিকে পেয়ে জোরাল ভলি করেন সের্হিও গোমেস, বল দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। এর পাঁচ মিনিট পরই এমবাপের নৈপুণ্যে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। 

ফেদে ভালভের্দের দারুন এক পাস ডি-বক্সে অসাধারণ এক ছোঁয়ায় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ফাঁকে প্রতিপক্ষের একজনের বাধা এড়ান এবং নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। তাদের এগিয়ে যাওয়ার আনন্দ অবশ্য চার মিনিটও স্থায়ী হয়নি। 

ডি-বক্সে ওচিয়েংয়ের দুর্বল শট এক স্বাগতিক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে অন্যপাশে চলে যায় বল, বিনা বাধায় ছুটে এসে অনায়াসে কোনাকুনি শটে কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ক্রোয়াট মিডফিল্ডার সুচিচ।

বিরতির পর আক্রমণে জোর দেয় রিয়াল এবং ৬০তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় তারা। বেলিংহ্যামের সঙ্গে একবার বল দেওয়া-নেওয়ার মাঝেই জায়গা বানিয়ে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে।

আট মিনিট পর ভিনিসিয়ুসের গোলে জয়ের পথে এগিয়ে যায় রেয়াল। গোলটিতে মূল কৃতিত্ব অবশ্য বেলিংহ্যামের। দায় আছে সোসিয়েদাদ রক্ষণেরও। নিজেদের সীমানায় সফরকারী দল পজেশন হারানোর পর, সতীর্থের পাস ডি-বক্সের মুখে পেয়ে দুইজনের মধ্যে দিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেন বেলিংহ্যাম। 

প্রতিপক্ষের একজনের পায়ে সেটা প্রতিহত হয়, তবে থামেননি ইংলিশ তারকা। বল কেড়ে নিয়ে বাইলাইন থেকে গোলমুখে পাস বাড়ান তিনি, আর বিনা বাধায় টোকায় বল জালে জড়ান ভিনিসিয়ুস।

৮০তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন ফরাসি তারকা। প্রতিপক্ষের একজনের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে থ্রু বল বাড়ান ভিনিসিয়ুস, আর ছয় গজ বক্সের ঠিক বাইরে থেকে শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন এমবাপ্পে। এতে ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রিয়াল মাদ্রিদ।

এতে লা লিগায় টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ। সমান পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে সেভিয়া ও রিয়াল বেতিস।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস