ঢাকা ০৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলায় দাঁত হারালেন বিএনপি নেতা Logo অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে বিনিয়োগের কোনো বিকল্প নেই : অর্থমন্ত্রী Logo বেগম খালেদা জিয়া আজীবন গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করেছেন : ভূমিমন্ত্রী Logo বিপ্লবী ছাত্রনেতা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী Logo ইউরোপের দাবানলে বেরিয়ে আসছে দুই বিশ্বযুদ্ধের লুকানো বিপদ Logo বেতন ছাড়াও যেসব সুবিধা পাবেন রাষ্ট্রপতি Logo খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদী কাশেম মারা গেছেন Logo বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে প্রস্তুত ইরান Logo জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা Logo চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল ৩ ফার্নিচারের দোকান

এক বছর পার হলে নিতে পারবে কলেরার টিকা

কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (পিওসিভি) দেওয়া শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১৪টি উপজেলা ও থানা এলাকায় এ টিকাদান কর্মসূচি চলবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানায়, এক বছর ও তার বেশি বয়সী সবাই এ টিকা নিতে পারবেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এ টিকার আওতায় থাকবেন না।

কর্মসূচির আওতায় মুন্সীগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগর এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল উপজেলায় টিকা দেওয়া হবে। ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের তেজগাঁও, খিলক্ষেত ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায়ও টিকাদান করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানায়, প্রথম ডোজ ২২ আগস্ট থেকে দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে।

কলেরা থেকে সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে দুই ডোজ টিকা নিতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। এতে গ্যাভি দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), আইএফআরসি, আইসিডিডিআর,বি এবং অন্যান্য উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা সহায়তা করছে।

টিকা নিতে উপযুক্ত নাগরিকদের [https://vaxepi.gov.bd?utm_source=chatgpt.com) ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। কিউআর কোড স্ক্যান করেও নিবন্ধন করা যাবে।

নিবন্ধনের মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্য আইডি (এনএইচআইডি) কার্ড তৈরি করা যাবে, যা ভবিষ্যতে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে সহায়ক হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের হামলায় দাঁত হারালেন বিএনপি নেতা

এক বছর পার হলে নিতে পারবে কলেরার টিকা

আপডেট সময় ০১:৫২:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কলেরা সংক্রমণ প্রতিরোধে মুখে খাওয়ার কলেরার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। শনিবার (২২ আগস্ট) থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রিভেন্টিভ ওরাল কলেরা ভ্যাকসিন (পিওসিভি) দেওয়া শুরু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১৪টি উপজেলা ও থানা এলাকায় এ টিকাদান কর্মসূচি চলবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৫১ লাখের বেশি মানুষকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধিদপ্তর জানায়, এক বছর ও তার বেশি বয়সী সবাই এ টিকা নিতে পারবেন। তবে অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এ টিকার আওতায় থাকবেন না।

কর্মসূচির আওতায় মুন্সীগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও নবীনগর এবং কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ, হোসেনপুর ও তাড়াইল উপজেলায় টিকা দেওয়া হবে। ঢাকার দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ, গেন্ডারিয়া, কদমতলী ও কামরাঙ্গীরচর এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের তেজগাঁও, খিলক্ষেত ও শেরেবাংলা নগর থানা এলাকায়ও টিকাদান করা হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা জানায়, প্রথম ডোজ ২২ আগস্ট থেকে দেওয়া হচ্ছে। দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে।

কলেরা থেকে সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে দুই ডোজ টিকা নিতে হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা। এতে গ্যাভি দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও), আইএফআরসি, আইসিডিডিআর,বি এবং অন্যান্য উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন সহযোগী সংস্থা সহায়তা করছে।

টিকা নিতে উপযুক্ত নাগরিকদের [https://vaxepi.gov.bd?utm_source=chatgpt.com) ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। কিউআর কোড স্ক্যান করেও নিবন্ধন করা যাবে।

নিবন্ধনের মাধ্যমে জাতীয় স্বাস্থ্য আইডি (এনএইচআইডি) কার্ড তৈরি করা যাবে, যা ভবিষ্যতে ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে সহায়ক হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ