ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

ভৈরবে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

‘চাঁদাবাজি’ বন্ধের দাবিতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা।

রোববার (১১ মে) দুপুর ১টার দিকে ভৈরব হাইওয়ে থানার সামনে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

অটোরিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সড়কে সিএনজি চালিয়ে যা ইনকাম করি তা দিয়েই আমাদের কোনো রকম সংসার চলে। ইদানিং সড়কে পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বড় অংকের জরিমানা করে। যদি তাদের ১ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাহলে গাড়ি ছেড়ে দেয়।

এভাবে প্রতিদিনই সড়কে হয়রানি করছে হাইওয়ে পুলিশ। আমাদের অনেকের গাড়ির কাগজপত্র ঠিক নেই। সেগুলো ঠিক করতে অনেক দিন সময় লাগবে। সেই সময় পুলিশ আমাদের দেয় না। সারাদিন যা ইনকাম করি তা সব পুলিশকেই দিয়ে দিতে হয়।

আরেক চালক উজ্জ্বল মিয়া বলেন, হাইওয়ে থানার পুলিশ দালাল লোকের মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরি করে সড়কে সিএনজি চালকদের থেকে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করছে। তারা সড়কে গাড়ি পেলেই কোনো কারণ ছাড়াই মামলা দিয়ে দেয়।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাবুর রহমান বলেন, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে সড়কে কিছু চলাচল করছে। এসব বিষয়ে আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়। তবে সড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও হয়রানি করা হয় না। আইন অনুযায়ী পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করে।

এ বিষয়ে ভৈরব সার্কেল অফিসের এএসপি নাজমুস সাকিব জানান, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে অটোরিকশার চালকরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে আমরা সড়কের অবরোধ তুলে নিতে চালকদের সঙ্গে আলোচনা করি। পরবর্তীতে চালকরা চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে

Tag :

মির্জা ফখরুল ও অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বাছাই আজ

ভৈরবে অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধ, দুর্ভোগে যাত্রীরা

আপডেট সময় ০৪:১৭:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

‘চাঁদাবাজি’ বন্ধের দাবিতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা।

রোববার (১১ মে) দুপুর ১টার দিকে ভৈরব হাইওয়ে থানার সামনে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন তারা। এতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

অটোরিকশাচালক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সড়কে সিএনজি চালিয়ে যা ইনকাম করি তা দিয়েই আমাদের কোনো রকম সংসার চলে। ইদানিং সড়কে পুলিশ আমাদের গাড়ি আটকিয়ে বড় অংকের জরিমানা করে। যদি তাদের ১ হাজার টাকা দেওয়া হয় তাহলে গাড়ি ছেড়ে দেয়।

এভাবে প্রতিদিনই সড়কে হয়রানি করছে হাইওয়ে পুলিশ। আমাদের অনেকের গাড়ির কাগজপত্র ঠিক নেই। সেগুলো ঠিক করতে অনেক দিন সময় লাগবে। সেই সময় পুলিশ আমাদের দেয় না। সারাদিন যা ইনকাম করি তা সব পুলিশকেই দিয়ে দিতে হয়।

আরেক চালক উজ্জ্বল মিয়া বলেন, হাইওয়ে থানার পুলিশ দালাল লোকের মাধ্যমে সিন্ডিকেট তৈরি করে সড়কে সিএনজি চালকদের থেকে চাঁদাবাজি ও হয়রানি করছে। তারা সড়কে গাড়ি পেলেই কোনো কারণ ছাড়াই মামলা দিয়ে দেয়।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাহাবুর রহমান বলেন, মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে অটোরিকশা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। তবুও বর্তমান পরিস্থিতিতে সড়কে কিছু চলাচল করছে। এসব বিষয়ে আমাদের নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হয়। তবে সড়কে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও হয়রানি করা হয় না। আইন অনুযায়ী পুলিশ তার দায়িত্ব পালন করে।

এ বিষয়ে ভৈরব সার্কেল অফিসের এএসপি নাজমুস সাকিব জানান, ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কে অটোরিকশার চালকরা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে আমরা সড়কের অবরোধ তুলে নিতে চালকদের সঙ্গে আলোচনা করি। পরবর্তীতে চালকরা চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে