ঢাকা ০৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী Logo বৈরি আবহাওয়ার কারণে এইচএসসি দিতে না পারাদের ফের সুযোগ, সংসদে শিক্ষামন্ত্রী Logo এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনে শিক্ষার্থীবান্ধব ৫টি উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : মাহদী আমিন Logo ইয়েমেন ঘিরে সৌদি-ইরান লড়াই, নতুন সংঘাতের শঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্য? Logo সাবেক ডেপুটি গভর্নর এস কে সুরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার রায় ২৮ জুলাই Logo গৌরি, কিরণ বা রিনা কেউ-ই ধর্ম পরিবর্তন করেনি: আমির খান Logo ২ জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার আভাস, বিপৎসীমার ওপরে ৩ নদীর পানি Logo আর্জেন্টিনা না ইংল্যান্ড? জুয়ার বাজারে বিশ্বকাপ ফাইনালে এগিয়ে কারা Logo বিশ্ব দরবারে শক্তিশালী হবে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড: সংসদে প্রধানমন্ত্রী Logo বিমানবন্দর সড়কে যান চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২

নরসিংদীর সদর উপজেলার পাইকাদি এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিশুটির চাচি লতা বেগম পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন।

মামলার বাদী হয়েছেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার লিজা আক্তার। মামলায় শিশুটির চাচি লতা বেগম, তার স্বামী কাউসার মিয়া এবং বাবা আলমাস মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। তবে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকাদি এলাকার জহিরুল মিয়া ও সাময়া আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী ছেলে রিজিক জন্মের পর বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এ সময় বাড়ির কাজকর্ম নিয়ে সাময়া আক্তারের সঙ্গে তার জা লতা বেগমের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১১ জুন পারিবারিক বিরোধের জেরে লতা বেগম শিশুটির পা মুচড়ে দেন। ঘটনাটি শিশুটির মায়ের মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির বাবা জহিরুল মিয়া ও মা সাময়া আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পাদনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিশুটির পা ভাঙেনি এবং তার পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টারও নেই। পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুর পায়ে মোচড় দেওয়া হলেও পরে বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা হয়েছে।

মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাতের পর এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তিনি আরও জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বব্যাপী চক্ষু স্বাস্থ্যসেবায় নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, গ্রেফতার ২

আপডেট সময় ০৩:৪১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীর সদর উপজেলার পাইকাদি এলাকায় তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ভাইরাল ভিডিওর ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান অভিযুক্ত শিশুটির চাচি লতা বেগম পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন।

মামলার বাদী হয়েছেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার লিজা আক্তার। মামলায় শিশুটির চাচি লতা বেগম, তার স্বামী কাউসার মিয়া এবং বাবা আলমাস মিয়াকে আসামি করা হয়েছে। তবে শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকাদি এলাকার জহিরুল মিয়া ও সাময়া আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী ছেলে রিজিক জন্মের পর বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিল। এ সময় বাড়ির কাজকর্ম নিয়ে সাময়া আক্তারের সঙ্গে তার জা লতা বেগমের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, গত ১১ জুন পারিবারিক বিরোধের জেরে লতা বেগম শিশুটির পা মুচড়ে দেন। ঘটনাটি শিশুটির মায়ের মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পর পুলিশ শিশুটির বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটির বাবা জহিরুল মিয়া ও মা সাময়া আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পাদনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, শিশুটির পা ভাঙেনি এবং তার পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টারও নেই। পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুর পায়ে মোচড় দেওয়া হলেও পরে বিষয়টি পারিবারিকভাবে মীমাংসা হয়েছে।

মাধবদী থানার ওসি মো. কামাল হোসেন বলেন, মঙ্গলবার রাতের পর এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। সমাজসেবা কার্যালয়ের প্রিভেনশন অফিসার বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তিনি আরও জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা করা হয়নি।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ