বিশ্বকাপ ফুটবলে আর্জেন্টিনা দলের রোমাঞ্চকর জয় আর লিওনেল মেসির ম্যাজিকে সার্চ দুনিয়ায় অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে মার্কিন সার্চ জায়ান্ট গুগলে।
আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি প্রতিবেদনে লিখেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের এই রমরমা যুগেও সার্চ ইঞ্জিনটি এখনও কতটা প্রাসঙ্গিক তা প্রমাণ করতে যেন প্রতি সেকেন্ডে সর্বোচ্চ সার্চের এ অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করল কোম্পানিটি।
মঙ্গলবার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের এক রোমাঞ্চকর ম্যাচের শেষদিকে বিস্ময়করভাবে ঘুরে দাঁড়ায় আর্জেন্টিনা দল। প্রথমে ক্রিস্টিয়ান রোমেরো গোল করে ব্যবধান কমান, আর ঠিক ৮৩ মিনিটে লিওনেল মেসি গোল করে সমতা ফিরিয়ে দলকে এনে দিয়েছেন জয়।
বুধবার গুগলের ‘নলেজ অ্যান্ড ইনফরমেশন’ বিভাগের প্রধান নিক ফক্স বলেছেন, “গতকালের ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়সূচক গোলের ঠিক পরই গুগল সার্চ আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে, যা কোম্পানিটির ইতিহাসে সর্বোচ্চ সার্চের রেকর্ড স্পর্শ করেছে।”
কোনো সংখ্যা প্রকাশ না করলেও কোম্পানিটির একজন মুখপাত্র বলেছেন, “জয়সূচক গোলটি হওয়ার ঠিক পরপরই প্রতি সেকেন্ডে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি সার্চ বা অনুসন্ধানের ঘটনাটি ঘটে।”
গুগল যখন এমনটা প্রমাণ করতে মরিয়া যে, এআইয়ের এ রমরমা যুগেও তাদের সার্চ ইঞ্জিনটি এখনও সবার সেরা, ঠিক তখনই এ অনন্য মাইলফলকে পৌঁছল সার্চ জায়ান্টটি।
এরইমধ্যে সার্চ বাজারের ৯০ শতাংশ দখলে রয়েছে গুগলের। গেল এক বছরে তাদের শেয়ারের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে এবং এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির রাজস্ব বা আয় বেড়ে যাওয়ার গতি ছিল ২০২২ সালের পর দ্রুততম।
গুগল বলেছে, খেলা শেষ হওয়ার পর তাদের প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি খোঁজা বা সার্চ করা বিষয়টি ছিল ‘আর্জেন্টিনা বনাম মিশর’।
বিশ্বজুড়ে মানুষ আরও কিছু বিষয় নিয়ে অনেক সার্চ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে ‘আর্জেন্টিনা বনাম কলম্বিয়া’ ও ‘বিশ্বকাপে মেসির মোট গোল কয়টি’।
পাশাপাশি অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চের তালিকায় ছিল, ‘খেলার মাঠে এক খেলোয়াড় অন্য খেলোয়াড়কে আঘাত করলে তাকে কী বলে’ ও ‘এটাই কি মেসির শেষ বিশ্বকাপ’।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস























