ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
স্বাধিকার আন্দোলনে এক অনন্য বাতিঘর

শতাব্দি পেরিয়ে গৌরবের আলোয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও পদ্মাপাড়ের ঐতিহাসিক শহর রাজশাহীর মতিহারে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনে এক অনন্য বাতিঘর হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। সবুজ শ্যামল আর চোখ জুড়ানো প্যারিস রোডের এই বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠা, অগ্রগতি ও গৌরবের এক সচিত্র প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো।

প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও ইতিহাস
দেশভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমাতে এবং উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষার আলো ছড়াতে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।

আন্দোলনের সূত্রপাত: ১৯৫০ সালের দিকে রাজশাহী অঞ্চলের ছাত্র ও সুধী সমাজ ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কমিটি’ গঠন করে আন্দোলন শুরু করে।

ঐতিহাসিক অবদান: এই আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন প্রখ্যাত আইনবিদ মাদার বখশ। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও লড়াকু ভূমিকার কারণে ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ আইনসভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট পাস হয়।

আনুষ্ঠানিক যাত্রা: ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই মাত্র ১৬১ জন শিক্ষার্থী ও ১৬ জন শিক্ষক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এর প্রথম উপাচার্য ছিলেন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ড. ইৎরাত হোসেন জুবেরী। শুরুতে শহরের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন ও রাজশাহী কলেজে এর শিক্ষা কার্যক্রম চলত। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মতিহারের বিশাল ও মনোরম সবুজ চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়।

গৌরবান্বিত ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস কেবল শিক্ষা বিস্তারের নয়, বরং দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে অধিকার আদায়ের ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ইতিহাস।

১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান: ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাত থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী, যার আত্মত্যাগ তৎকালীন গণআন্দোলনে স্ফুলিঙ্গের মতো কাজ করেছিল।

১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বিশাল ত্যাগ স্বীকার করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সুখরঞ্জন সমাদ্দার, অধ্যাপক হবিবুর রহমান, অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুমসহ বহু ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন। তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে ক্যাম্পাসে গড়ে তোলা হয়েছে ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’, যা দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর।

শিক্ষা ব্যবস্থা ও বর্তমান অগ্রগতি
শুরুতে মাত্র কয়েকটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা করলেও বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম বৃহত্তম গবেষণাধর্মী ও বহুমাত্রিক বিদ্যাপীঠ।

অনুষদ ও বিভাগ: বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি অনুষদের অধীনে প্রায় ৫৯টি বিভাগ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ৬টি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষক: বর্তমানে ক্যাম্পাসে প্রায় ৩৮,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন এবং তাঁদের পাঠদানে নিয়োজিত আছেন ১,১০০-এর বেশি সুদক্ষ শিক্ষক।

আবাসন: শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ১৮টি আবাসিক হল (১১টি ছাত্র ও ৭টি ছাত্রী হল) এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একটি সুসজ্জিত ডরমিটরি।

অবকাঠামো ও অনন্য প্যারিস রোড: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আকর্ষণ এর সুপরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাস। বিশেষ করে দুপাশে আকাশমণি গাছের সারি ঘেরা ঐতিহাসিক ‘প্যারিস রোড’ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। এছাড়া রয়েছে সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্য, বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি।

দেশের উন্নয়নে রাবি ও কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দ
জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, রাজনীতি ও গবেষণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ভাষা বিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ড. এ কে নাজমুল করিমের মতো মনীষীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

এখানকার কৃতি শিক্ষার্থীরা দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সাংবাদিকতা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান গবেষণায় রাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

শেষ কথা
সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেবল ডিগ্রি প্রদানের কারখানা হিসেবে নয়, বরং প্রগতিশীল চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে রাবি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছে। মতিহারের এই সবুজ চত্বর যুগে যুগে এভাবেই আলোর দিশারী হয়ে থাকবে—এটাই সকলের প্রত্যাশা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধিকার আন্দোলনে এক অনন্য বাতিঘর

শতাব্দি পেরিয়ে গৌরবের আলোয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট সময় ০৮:২৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও পদ্মাপাড়ের ঐতিহাসিক শহর রাজশাহীর মতিহারে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি প্রতিষ্ঠানটি দেশের উচ্চশিক্ষা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার আন্দোলনে এক অনন্য বাতিঘর হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে। সবুজ শ্যামল আর চোখ জুড়ানো প্যারিস রোডের এই বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠা, অগ্রগতি ও গৌরবের এক সচিত্র প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো।

প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও ইতিহাস
দেশভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর চাপ কমাতে এবং উত্তরবঙ্গের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উচ্চশিক্ষার আলো ছড়াতে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।

আন্দোলনের সূত্রপাত: ১৯৫০ সালের দিকে রাজশাহী অঞ্চলের ছাত্র ও সুধী সমাজ ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কমিটি’ গঠন করে আন্দোলন শুরু করে।

ঐতিহাসিক অবদান: এই আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন প্রখ্যাত আইনবিদ মাদার বখশ। তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রম ও লড়াকু ভূমিকার কারণে ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ আইনসভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাক্ট পাস হয়।

আনুষ্ঠানিক যাত্রা: ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই মাত্র ১৬১ জন শিক্ষার্থী ও ১৬ জন শিক্ষক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয়। এর প্রথম উপাচার্য ছিলেন খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ ড. ইৎরাত হোসেন জুবেরী। শুরুতে শহরের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ভবন ও রাজশাহী কলেজে এর শিক্ষা কার্যক্রম চলত। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মতিহারের বিশাল ও মনোরম সবুজ চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়।

গৌরবান্বিত ইতিহাস ও মহান মুক্তিযুদ্ধ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস কেবল শিক্ষা বিস্তারের নয়, বরং দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে অধিকার আদায়ের ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ইতিহাস।

১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান: ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের সময় পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাত থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী, যার আত্মত্যাগ তৎকালীন গণআন্দোলনে স্ফুলিঙ্গের মতো কাজ করেছিল।

১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ: ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার বিশাল ত্যাগ স্বীকার করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সুখরঞ্জন সমাদ্দার, অধ্যাপক হবিবুর রহমান, অধ্যাপক মীর আবদুল কাইয়ুমসহ বহু ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পাক হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ হন। তাঁদের স্মৃতি রক্ষার্থে ক্যাম্পাসে গড়ে তোলা হয়েছে ‘শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা’, যা দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক জাদুঘর।

শিক্ষা ব্যবস্থা ও বর্তমান অগ্রগতি
শুরুতে মাত্র কয়েকটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা করলেও বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম বৃহত্তম গবেষণাধর্মী ও বহুমাত্রিক বিদ্যাপীঠ।

অনুষদ ও বিভাগ: বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি অনুষদের অধীনে প্রায় ৫৯টি বিভাগ রয়েছে। এছাড়া রয়েছে ৬টি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষক: বর্তমানে ক্যাম্পাসে প্রায় ৩৮,০০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন এবং তাঁদের পাঠদানে নিয়োজিত আছেন ১,১০০-এর বেশি সুদক্ষ শিক্ষক।

আবাসন: শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে ১৮টি আবাসিক হল (১১টি ছাত্র ও ৭টি ছাত্রী হল) এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে একটি সুসজ্জিত ডরমিটরি।

অবকাঠামো ও অনন্য প্যারিস রোড: বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান আকর্ষণ এর সুপরিকল্পিত ও দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাস। বিশেষ করে দুপাশে আকাশমণি গাছের সারি ঘেরা ঐতিহাসিক ‘প্যারিস রোড’ ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যকে এক অনন্য মাত্রা দিয়েছে। এছাড়া রয়েছে সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্য, বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি।

দেশের উন্নয়নে রাবি ও কৃতি শিক্ষার্থীবৃন্দ
জ্ঞান-বিজ্ঞান, সাহিত্য, রাজনীতি ও গবেষণায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনস্বীকার্য। ভাষা বিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক, প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ড. এ কে নাজমুল করিমের মতো মনীষীরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

এখানকার কৃতি শিক্ষার্থীরা দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের প্রশাসন, বিচার বিভাগ, সাংবাদিকতা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান গবেষণায় রাবির প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

শেষ কথা
সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেবল ডিগ্রি প্রদানের কারখানা হিসেবে নয়, বরং প্রগতিশীল চেতনা, মুক্তবুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে রাবি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করে চলেছে। মতিহারের এই সবুজ চত্বর যুগে যুগে এভাবেই আলোর দিশারী হয়ে থাকবে—এটাই সকলের প্রত্যাশা।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচবি