বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের সদর হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ চালু করা গেলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব : জুবাইদা রহমান সংবিধান সংস্কারে সুযোগ না পেলে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান, ভিড় না করার অনুরোধ চিকিৎসকদের টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির

রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর যানজট নিরসনে ইনার সার্কুলার রিং রোড (বৃত্তাকার সড়ক) নির্মাণ এবং ঢাকাকে ঘিরে থাকা নদীপথ কার্যকরভাবে ব্যবহারের লক্ষ্যে চলমান অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সড়ক ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু।

তিনি বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন কীভাবে হবে, তা বৈঠকে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা অবহিত করা হয়েছে।’

বৈঠকে জানানো হয়, রাজধানীর ইনার সার্কুলার রিং রোড প্রকল্পটি গাবতলী থেকে বাবুবাজার এবং পোস্তগোলা থেকে ডেমরা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্পের রায়েরবাজার, হাজারীবাগ ও কামরাঙ্গীরচর অংশের নির্মাণকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রকল্পটির ৪৫ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

বৃত্তাকার এ সড়ক নির্মাণ সম্পন্ন হলে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-মাওয়া ও ঢাকা-চট্টগ্রামগামী যানবাহনকে রাজধানীর অভ্যন্তরীণ সড়ক ব্যবহার করতে হবে না। ফলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ কমবে এবং যানজটও হ্রাস পাবে।

এ ছাড়া বৈঠকে ঢাকাকে ঘিরে থাকা প্রায় ১১০ কিলোমিটার নদীপথকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়, এ নৌপথ চালু করা গেলে রাজধানীর সড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বৃত্তাকার নদীপথে সহজেই যাতায়াত করা সম্ভব হবে।

বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে এ পরিকল্পনার কারিগরি দিক উপস্থাপন করেন। তারা বলেন, নদীপথ ব্যবহারের ফলে পরিবেশদূষণ কমবে, জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং যাতায়াতের সময়ও কম লাগবে। কারণ এ নৌপথে চলাচলকারী যানবাহন হবে বিদ্যুৎচালিত।

বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব শহীদুল হাসান, সড়ক পরিবহন সচিব জিয়াউল হক, নৌপরিবহন সচিব মো. জাকারিয়া, রেলপথ সচিব ফাহমিদুল ইসলাম, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান মহিদুল ইসলাম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মিঠুন চন্দ্র শীল এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খান মাহমুদ আমানত ও অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com