সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বিরোধী দলের আসনে প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ বস্ত্র ও পাটশিল্পকে রফতানিমুখী করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামায় বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম যে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সংসদ তোষামোদের জায়গা নয়, ট্যাক্সের টাকায় যেন চরিত্র হনন না হয়: বিরোধীদলীয় নেতা ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ মানুষের জন্য, সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর নয়: প্রধানমন্ত্রী ভোটের মুখে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’: তারেক রহমানকে ঘিরে সেই মিডিয়া ট্রায়াল আফগানিস্তান সীমান্তে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ২৯ দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন দুপুরে

বস্ত্র ও পাটশিল্পকে রফতানিমুখী করার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পকে আধুনিক, টেকসই ও রফতানিমুখী খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় সেগুলো বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সোমবার সংসদে নেত্রকোনা-৩ আসনের সরকারি দলের সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, পাটশিল্পের উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ বাজারে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং কৃত্রিম মোড়কের কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ রোধে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০’ বাস্তবায়নে সরকার নিয়মিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করছে।

তিনি জানান, পাটশিল্পের টেকসই উন্নয়নের জন্য ‘পাট আইন, ২০১৭’, ‘জাতীয় পাট নীতিমালা, ২০১৮’ এবং ‘চারকোল নীতিমালা-২০২২’ প্রণয়ন করা হয়েছে। পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে সরকার রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নগদ আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছে। 

এছাড়া জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) পিএলসি-এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র পাট উদ্যোক্তাদের সহায়তা এবং ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নতমানের পাটের আঁশ উৎপাদন বৃদ্ধির কাজ চলছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিজেএমসি’র নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি পাটকল ২০২০ সালে সরকারি সিদ্ধান্তে বন্ধ ঘোষণা করা হলেও বর্তমান সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসব মিল পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪টি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার জন্য ইজারা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নয়টি মিলে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং অবশিষ্ট মিলগুলো পর্যায়ক্রমে ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

একই দিনে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারি দলের সাংসদ মো. আব্দুস সালামের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জানান, দেশের বস্ত্রশিল্প অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ৮শ’ কোটি মিটার বস্ত্রের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে ৪শ’ কোটি মিটার ওভেন কাপড় এবং ৪শ’ কোটি মিটার নিট কাপড়।

তিনি বলেন, দেশের মিলগুলো নিট খাতে মোট চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং ওভেন খাতে প্রায় ৪০ শতাংশ সরবরাহ করছে। এছাড়া হস্তচালিত তাঁতশিল্প থেকে বছরে ৪৭ কোটি ৪৭ লাখ ৪০ হাজার মিটার কাপড় উৎপাদিত হয়, যা দেশের মোট বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ শতাংশ পূরণ করে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com