ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। সন্তানের জীবনে ভালোবাসা, সাহস, নিরাপত্তা ও নির্ভরতার প্রতীক বাবাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর বিশেষ এই দিনটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে।

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার (২১ জুন) বিশ্ব বাবা দিবস পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। যদিও এর সূচনা হয়েছিল পশ্চিমা বিশ্বে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিবসটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

ইতিহাস অনুযায়ী, বাবার অবদান ও দায়িত্বের প্রতি সামাজিক স্বীকৃতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই বাবা দিবসের প্রচলন শুরু হয়। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্ট এলাকার একটি গির্জায় প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। পরে ১৯১০ সালের ১৯ জুন সোনোরা স্মার্ট ডডের উদ্যোগে বিশেষভাবে বাবা দিবস পালিত হয়, যা পরবর্তীতে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

এরপর ধীরে ধীরে দিবসটি জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাবা দিবসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ এ উদ্যোগকে সমর্থন দেন এবং ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি দেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :

রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

বিশ্ব বাবা দিবস আজ

আপডেট সময় ১১:১৯:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

আজ বিশ্ব বাবা দিবস। সন্তানের জীবনে ভালোবাসা, সাহস, নিরাপত্তা ও নির্ভরতার প্রতীক বাবাদের প্রতি সম্মান ও কৃতজ্ঞতা জানানোর বিশেষ এই দিনটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে।

প্রতি বছর জুন মাসের তৃতীয় রোববার (২১ জুন) বিশ্ব বাবা দিবস পালন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে। যদিও এর সূচনা হয়েছিল পশ্চিমা বিশ্বে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিবসটি বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

ইতিহাস অনুযায়ী, বাবার অবদান ও দায়িত্বের প্রতি সামাজিক স্বীকৃতি বাড়ানোর লক্ষ্যেই বাবা দিবসের প্রচলন শুরু হয়। ১৯০৮ সালের ৫ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার ফেয়ারমন্ট এলাকার একটি গির্জায় প্রথমবারের মতো দিবসটি পালন করা হয়। পরে ১৯১০ সালের ১৯ জুন সোনোরা স্মার্ট ডডের উদ্যোগে বিশেষভাবে বাবা দিবস পালিত হয়, যা পরবর্তীতে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

এরপর ধীরে ধীরে দিবসটি জাতীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি পেতে শুরু করে। ১৯১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বাবা দিবসকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণার প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। ১৯২৪ সালে প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজ এ উদ্যোগকে সমর্থন দেন এবং ১৯৬৬ সালে প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি. জনসন আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটির স্বীকৃতি দেন।

বাংলা৭১নিউজ/এবি