ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

মা-ছেলের বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাবা-ছেলের অংশগ্রহণের ঘটনা আগেও দেখা গেছে। তবে এবার প্রথমবারের মতো মা-ছেলের একসঙ্গে বিশ্বকাপে খেলার অনন্য নজির গড়েছে নিউজিল্যান্ডের বিন্দন পরিবার।

নিউজিল্যান্ডের তরুণ ডিফেন্ডার টাইলার বিন্দন ও তার মা জেনি বিন্দন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম মা-ছেলে জুটি হিসেবে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ইরানের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে এই বিশেষ রেকর্ডের পূর্ণতা দেন টাইলার।

এর আগে ২০০৭ ও ২০১১ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের গোলবার সামলেছিলেন জেনি বিন্দন। এছাড়া ২০০৮ ও ২০১২ সালের অলিম্পিক গেমসেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর জাতীয় দলের হয়ে মোট ৭৭টি ম্যাচ খেলেছেন এই সাবেক গোলরক্ষক।

অন্যদিকে ২০০৫ সালে জন্ম নেওয়া টাইলার ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলে অভিষেক করেন। এবারের বিশ্বকাপই তার প্রথম বিশ্বকাপ আসর। মায়ের সর্বশেষ বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের প্রায় দেড় দশক পর নিজেও বিশ্বমঞ্চে খেলে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন তিনি।

এই অর্জনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান টাইলার। তিনি লেখেন, আজকের দিনটি অনেক কারণেই বিশেষ। সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। বিশ্বকাপে খেলা প্রথম মা-ছেলে জুটি হিসেবে আমার মায়ের সঙ্গে এই মুহূর্তটি ভাগ করে নিতে পেরে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

টাইলারের ক্রীড়া প্রতিভার পেছনে পারিবারিক ঐতিহ্যও রয়েছে। তার বাবা গ্র্যান্ট বিন্দন। নিউজিল্যান্ডের জাতীয় ভলিবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। ফলে খেলাধুলার পরিবেশেই বেড়ে ওঠা টাইলার এখন দেশের ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়ের অংশ হয়ে উঠেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

দুদক: বুধবার থেকে কাজ শুরু করবে নতুন কমিশন

মা-ছেলের বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস

আপডেট সময় ১২:১৮:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাবা-ছেলের অংশগ্রহণের ঘটনা আগেও দেখা গেছে। তবে এবার প্রথমবারের মতো মা-ছেলের একসঙ্গে বিশ্বকাপে খেলার অনন্য নজির গড়েছে নিউজিল্যান্ডের বিন্দন পরিবার।

নিউজিল্যান্ডের তরুণ ডিফেন্ডার টাইলার বিন্দন ও তার মা জেনি বিন্দন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম মা-ছেলে জুটি হিসেবে নিজেদের নাম লিখিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ইরানের বিপক্ষে ম্যাচে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে এই বিশেষ রেকর্ডের পূর্ণতা দেন টাইলার।

এর আগে ২০০৭ ও ২০১১ সালের ফিফা নারী বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের গোলবার সামলেছিলেন জেনি বিন্দন। এছাড়া ২০০৮ ও ২০১২ সালের অলিম্পিক গেমসেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর জাতীয় দলের হয়ে মোট ৭৭টি ম্যাচ খেলেছেন এই সাবেক গোলরক্ষক।

অন্যদিকে ২০০৫ সালে জন্ম নেওয়া টাইলার ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড জাতীয় দলে অভিষেক করেন। এবারের বিশ্বকাপই তার প্রথম বিশ্বকাপ আসর। মায়ের সর্বশেষ বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের প্রায় দেড় দশক পর নিজেও বিশ্বমঞ্চে খেলে ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন তিনি।

এই অর্জনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান টাইলার। তিনি লেখেন, আজকের দিনটি অনেক কারণেই বিশেষ। সবচেয়ে বড় মঞ্চে নিউজিল্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। বিশ্বকাপে খেলা প্রথম মা-ছেলে জুটি হিসেবে আমার মায়ের সঙ্গে এই মুহূর্তটি ভাগ করে নিতে পেরে আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।

টাইলারের ক্রীড়া প্রতিভার পেছনে পারিবারিক ঐতিহ্যও রয়েছে। তার বাবা গ্র্যান্ট বিন্দন। নিউজিল্যান্ডের জাতীয় ভলিবল দলের অধিনায়ক ছিলেন। ফলে খেলাধুলার পরিবেশেই বেড়ে ওঠা টাইলার এখন দেশের ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়ের অংশ হয়ে উঠেছেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস