বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৮ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে : অর্থমন্ত্রী বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার: মির্জা ফখরুল জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রাথমিক শিক্ষায় সংস্কার আনা হবে : প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বুলেট ট্রেনে’ ডালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে নকল পেলে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আইনের আওতায় আনা হবে : শিক্ষামন্ত্রী ‘সবাই তোমাকে ঘৃণা করে’— নেতানিয়াহুকে ট্রাম্পের তিরস্কার নিয়ে তোলপাড় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

হরমুজে ব্যর্থ হয়ে ‘মুখ রক্ষার’ পথ খুঁজছেন ট্রাম্প: বিশ্লেষক

বাংলা৭১নিউজ,ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬
  • ৩৬ বার পড়া হয়েছে

বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিভিন্ন উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার পর এখন মুখ রক্ষার চেষ্টা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ জন্য ইরানের সঙ্গে এমন একটি সমঝোতার পথ খুঁজছেন, যাতে মার্কিন জনগণের কাছে তার ‘সম্মান রক্ষা’ হয়- এমন মন্তব্য করেছেন তেহরানভিত্তিক এক বিশ্লেষক।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের বিশ্লেষক আলি আকবর দারেইনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তাৎক্ষণিক কোনও সমঝোতার লক্ষণ তিনি দেখছেন না।

তার ভাষায়, “চীন সফরে যাওয়ার আগে ট্রাম্প কিছু একটা অর্জন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বলপ্রয়োগের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রচেষ্টায় তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।”

দারেইনি আরও বলেন, “ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলপন্থী লবির পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে এমন একটি ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে, ইরানের ওপর হামলা চালালে তেহরান পিছু হটবে এবং আত্মসমর্পণ করবে। কিন্তু ইরান নতি স্বীকার করেনি এবং লাখো বছরেও করবে না।”

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হিসেবে পরিচিত এই প্রণালী দিয়ে বৈশ্বিক তেল রফতানির এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে যেকোনও ধরনের সামরিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো এবং নৌ-অভিযান পরিচালনার পরও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়ায় ওয়াশিংটনের কৌশল নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানের কঠোর অবস্থান এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সমর্থন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

অন্যদিকে তেহরান বারবার দাবি করে আসছে, তারা কোনও চাপ বা সামরিক হুমকির কাছে নতি স্বীকার করবে না। ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা ‘সব ধরনের পদক্ষেপ’ নিতে প্রস্তুত।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই সংকট কূটনৈতিক সমাধানের দিকে এগোবে নাকি আরও বড় সামরিক সংঘাতে রূপ নেবে-এ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

সূত্র: আল-জাজিরা

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com