বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বর্তমান সরকার ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করতে চায় না: প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক-আর্থিক খাতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে না: অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক কারণে দায়ের করা ২৩৮৬৫টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে : আইনমন্ত্রী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখনন করা হবে হাওড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে তিন মাস সহায়তা: প্রধানমন্ত্রী বেঙ্গালুরুতে হাসপাতালের দেওয়াল ধসে শিশুসহ নিহত ৭ বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও কার্যকরে গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার নৌ-অবরোধ না তুললে ‘নজিরবিহীন’ পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি ইরানের বোয়িং বিমান চুক্তি আজ, ১৪টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার সকালের মধ্যে ১৯ জেলায় বজ্রবৃষ্টিসহ ঝড়ের শঙ্কা

নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্য রাতে নদীতে নামবেন জেলেরা

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার শেষে এখন মেঘনা পাড়ের জেলেরা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার পর থেকে জেলার অর্ধলক্ষাধিক জেলে মাছ ধরতে নদীতে নামবেন। ফলে জেলে পাড়াগুলো এখন সরগরম হয়ে উঠেছে।

মৎস্য বিভাগ বলছে এ বছর জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার পুরান বাজার রনাগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া, হরিণাঘাট এবং আনন্দ বাজার এলাকায় জেলে পাড়া ঘুরে জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি দেখা যায়।

জেলেদের মধ্যে কেউ কেউ জাল মেরামত করছেন, মিস্ত্রিরা নৌকা মেরামত এবং অনেক জেলেকে নৌকা নদীতে নামাতে দেখা গেছে।

আনন্দ বাজার এলাকার জেলে মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানলেও আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। এখন আবার জাল-নৌকা প্রস্তুত করেছি নদীতে নামার জন্য।

বহরিয়া এলাকার জেলে খোরশেদ আলম বলেন, নৌকা-জাল মেরামত করতে (ছোট নৌকা) প্রায় ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিতে হয়েছে। এখন যদি ইলিশ পাওয়া যায় ঋণ শোধ করা যাবে এবং সংসারও চলবে।

একই এলাকার জেলে ফারুক গাজী বলেন, ইলিশ পাওয়ার আশায় ঋণ করে নৌকা প্রস্তুত করেছি। আমার নৌকায় সাতজন কাজ করে। ইলিশ পেলে আমাদের সংসার চলবে, না হয় কিস্তি নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে। কারণ সরকারিভাবে যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে তাতে সংসার চলে না।

চাঁদপুর সদর উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, নিষেধাজ্ঞার দুই মাসে চাঁদপুরের ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় আমরা দিন ও রাতে অভিযান পরিচালনা করেছি।

যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরেছে এমন প্রায় দুই শতাধিক জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। তবে এই অভিযানের ফলে যেমন জাটকা রক্ষা হয়েছে, তেমনি জাতীয়ভাবে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ৪ মাস ৪০ কেজি করে ১৬০ কেজি বিজিএফ চাল দিয়েছে। পাশাপাশি এবছরই প্রথম জাটকা প্রবণ এলাকার জেলেদের চালের পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com