শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ন

উদ্ভাবকদের যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, উদ্ভাবক, গবেষক, উদ্যোক্তা এবং সৃজনশীল ব্যক্তিদের প্রতিভার যথাযথ স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে সরকার একটি আধুনিক, সহজ ও কার্যকর সেবা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, অনলাইন নিবন্ধন, দ্রুত সেবা প্রদান, আইনি সুরক্ষা জোরদার এবং নকল পণ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ইতোমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আগামীকাল উদযাপিত হতে যাওয়া ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’ এ বছরও বাংলাদেশে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় দেশের দ্রুত অগ্রগতির জন্য। মেধাস্বত্ব দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘মেধাস্বত্ব ও ক্রীড়া : প্রস্তুত হও, শুরু করো, উদ্ভাবন করো’। এ প্রতিপাদ্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী দেশের তরুণদের মেধাশক্তিকে কাজে লাগানোর জন্য।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ‘মেধাস্বত্ব সুরক্ষা’ যেকোনো নতুন ধারণা, উদ্ভাবন ও সৃজনশীল কর্মপ্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করে। একইসঙ্গে ক্রীড়াপ্রযুক্তি, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, ক্রীড়াপণ্যের ব্র্যান্ডিং, সম্প্রচার শিল্প, ডিজিটাল কনটেন্ট এবং উদ্যোক্তা বিকাশে এর একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

তিনি বলেন, এটা বেশ আনন্দের বিষয় যে, বাংলাদেশ আজ তারুণ্যের শক্তিতে ভরপুর। আমি মনে করি— তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি, শিল্প, গবেষণা, স্টার্টআপ এবং সৃজনশীল অর্থনীতির দ্রুত বিকাশের এই সময়ে মেধাস্বত্ব সুরক্ষা জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম পূর্বশর্ত। বর্তমান সরকার এ বিষয়ে সচেতন। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো— বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পণ্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা। বৈশ্বিক বাজারে জামদানি, ইলিশসহ দেশীয় বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের মর্যাদা সংরক্ষণ অবস্থান সুদৃঢ় করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবসের প্রতিপাদ্যে এবার যৌক্তিকভাবে ক্রীড়াকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ক্রীড়া এখন শুধু বিনোদনের ক্ষেত্র নয়; এটি সম্ভাবনাময় পেশা, সামাজিক শক্তি এবং উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত।

তিনি বলেন, জাতীয় ক্রীড়াবিদদের জন্য ভাতা ও স্পোর্টস কার্ড চালুর মাধ্যমে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশব্যাপী নতুন প্রতিভা অন্বেষণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়া পরিবেশ গড়ে তোলার কাজ চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব উদ্যোগ দেশের ক্রীড়াভিত্তিক শিল্প, ক্রীড়াপণ্য উৎপাদন, ব্র্যান্ডিং, স্পোর্টস মিডিয়া, পর্যটন, বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com