বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
বগুড়ায় উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন সংস্কার চায় সরকার: তথ্যমন্ত্রী শ্রম বাজার নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর আলোচনা প্রথম অধিবেশনের ১২তম দিন সংসদের সকালের অধিবেশনে ১২টি বিল পাস শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই, ভোটগ্রহণ মনিটর শেষে সিইসি অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক দুই পুলিশের ফাঁসি, ৩ জনের যাবজ্জীবন ভারত থেকে আসবে ২০০ ব্রডগেজ কোচ: সংসদে রেলপথমন্ত্রী সব পড়লেন কিন্তু মূল আইনটাই পড়লেন না: হাসনাতকে আইনমন্ত্রী আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের সাবেক নারী এমপি গ্রেফতার

সব পড়লেন কিন্তু মূল আইনটাই পড়লেন না: হাসনাতকে আইনমন্ত্রী

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া বক্তব্যকে ‘রসালো’ (জুসি) ও ‘রাজনৈতিক ময়দানের উপযোগী’ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য প্রস্তাবিত বিলের সবকিছুই পড়েছেন, কিন্তু প্রথম লাইনটিই সম্ভবত এড়িয়ে গেছেন।’

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬’ উত্থাপনকালে হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তির জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এর আগে বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ ২০০৯ সালের আইনটিকে ‘বিরোধী দল দমন কমিশন’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিল করার এই সিদ্ধান্ত জাতি পিছিয়ে যাওয়ার একটি টেক্সটবুক এক্সাম্পল (আদর্শ উদাহরণ) হয়ে থাকবে।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “মাননীয় সংসদ সদস্য খুব সুন্দর বক্তৃতা দিয়েছেন। উনার বক্তব্যগুলো পল্টন ময়দান, প্রেস ক্লাব বা রাজপথের জন্য অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক ও ‘জুসি’। উনি সব পড়েছেন, শুধু বিলের মূল কথাটিই পড়েননি। বিলের প্রথম লাইনেই স্পষ্ট করা আছে যে, সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে অধিকতর পরামর্শ ও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। মানবাধিকার কমিশনের কার্যক্রমে যাতে কোনো শূন্যতা তৈরি না হয়, সেই কারণেই আপাতত ২০০৯ সালের আইনটি পুনঃপ্রচলন (রিস্টোর) করা হয়েছে।”

আইনমন্ত্রী পূর্ববর্তী অধ্যাদেশের ত্রুটিগুলো তুলে ধরে বলেন, ‘২০২৫ সালের অধ্যাদেশটি এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে বিএনপি ক্ষমতায় এলেও ঠিকমতো কাজ করতে না পারে। এর ১৬ নম্বর ধারায় তদন্ত ও জরিমানার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনির্দেশনা নেই। মানবাধিকার কমিশন যখন নিজেই বাদী হয়ে মামলা করে, তখন সেটি আর নিরপেক্ষ আইন থাকে না। এমনকি গুম কমিশন নিয়েও এই আইনে অস্পষ্টতা রয়েছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচার চাই, তবে সেই আইনটি অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। কুড়িল বস্তির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে আমরা আইনটি সংশোধন করব। সেই পর্যন্ত কমিশনকে সচল রাখতেই ২০০৯ সালের আইনটি বহাল রাখা হয়েছে।’

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com