মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিরীন শারমিনের রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নে ৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় ঐক্যের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে যে বার্তা দিলেন মন্ত্রী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবা গুরুতর আহত, আছেন অজ্ঞান অবস্থায় : রিপোর্ট বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস আজ, উদযাপনে নানা কর্মসূচি দুই বছরের টানাপোড়েন শেষে বরফ গলাতে দিল্লি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী আটক, ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে

ইরানের সস্তা মিসাইলে কুপোকাত মার্কিন ফাইটার জেট, ‘ইতিহাসে প্রথম’ বললেন ট্রাম্প

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

ইরানের আকাশসীমায় মার্কিন বিমানবাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-১৫ই ফাইটার জেটটি কাঁধ থেকে ছোড়া তাপ-অনুসন্ধানী (হিট-সিকিং) মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, এটি ছিল হাতে বহনযোগ্য একটি শোল্ডার মিসাইল। 

প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, অনেকটা ভাগ্যের জোরেই মিসাইলটি সরাসরি বিমানের ইঞ্জিনের ভেতরে ঢুকে যায় এবং সেটিকে ধ্বংস করে। শত্রুভাবাপন্ন কোনো পক্ষের আক্রমণে ইতিহাসে এই প্রথম কোনো মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটল।

ইরানের গভীর ভূখণ্ডে বিধ্বস্ত হওয়া ওই বিমানের পাইলট এবং ওয়েপন সিস্টেম অফিসারকে একটি নাটকীয় অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই উদ্ধার অভিযান মোটেও সহজ ছিল না। 

পেন্টাগন জানিয়েছে, উদ্ধারকাজ চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। এই অভিযানে একটি এ-১০ অ্যাটাক জেট, দুটি এমসি-১৩০জে হারকিউলিস স্পেশাল মিশন ক্রাফট এবং অন্তত একটি হেলিকপ্টার হারিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মাত্র কয়েক হাজার ডলার মূল্যের একটি মিসাইলের আঘাতে কয়েকশ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হওয়ার এই ঘটনাকে বড় ধরনের কৌশলগত ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ম্যান-পোর্টেবল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বা ‌‘ম্যানপ্যাড’ হিসেবে পরিচিত এই মিসাইলগুলো ইরান কোথা থেকে পেয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের ‘মিলিটারি ব্যালেন্স ২০২৫’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের অস্ত্রাগারে সোভিয়েত আমলের স্ট্রেলা, রাশিয়ার ইগলা এবং তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাগ মিসাইলসহ বিভিন্ন ধরনের ম্যানপ্যাড রয়েছে। মূলত নিচের স্তর দিয়ে ওড়া যুদ্ধবিমানগুলোর জন্য এই হাতে বহনযোগ্য অস্ত্রগুলো বর্তমানে বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্যমতে, এ জাতীয় মিসাইলগুলো আকারে ছোট হওয়ায় এগুলো পরিবহন করা এবং লুকিয়ে রাখা অত্যন্ত সহজ। চার থেকে সাড়ে ছয় ফুট লম্বা এবং ২৮ থেকে ৫৫ পাউন্ড ওজনের এই অস্ত্রগুলো অনায়াসেই একটি সাধারণ গাড়ির ডিকিতে বহন করা সম্ভব। রাডারে শনাক্ত করা কঠিন হওয়ার কারণে এই ক্ষুদ্রাকৃতির ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখন মার্কিন বিমানবাহিনীর জন্য আকাশপথে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। 

এই ঘটনার পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা এক নতুন এবং আরও ঝুঁকিপূর্ণ মোড় নিলো বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সূত্র: সিএনএন

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com