ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ বার ভূমিকম্পে কাঁপলো সিকিম

মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ১৩ বার ভূমিকম্পে কাঁপলো ভারতের হিমালয়কন্যা খ্যাত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিম। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় এসব কম্পনের ফলে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা অবকাঠামোগত ধ্বংসের তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, রাত দেড়টা নাগাদ সিকিমের গেলসিং এলাকায় প্রথম মূল ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ ও উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রধান কম্পনটির রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় একের পর এক আফটারশক অর্থাৎ পরাঘাত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সাড়ে চার ঘণ্টায় আরও ১২ বার কেঁপে ওঠে সিকিম। এর মধ্যে মঙ্গন এলাকায় ৭টি ও নামচিতে ৪টি কম্পন রেকর্ড করা হয়। এছাড়া রাজধানী গ্যাংটকেও ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়।

শীতের মাঝরাতে আকস্মিক এই ভূমিকম্পের ফলে সিকিমের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় হোটেল ও বাড়িঘর ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেন কয়েক হাজার মানুষ।

সূত্র: দ্য ওয়াল

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর দাফন সম্পন্ন, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ বার ভূমিকম্পে কাঁপলো সিকিম

আপডেট সময় ০৩:৩৯:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মাত্র সাড়ে চার ঘণ্টার ব্যবধানে অন্তত ১৩ বার ভূমিকম্পে কাঁপলো ভারতের হিমালয়কন্যা খ্যাত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিম। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) মাঝরাত থেকে ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় এসব কম্পনের ফলে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানি বা অবকাঠামোগত ধ্বংসের তথ্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় প্রশাসন পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, রাত দেড়টা নাগাদ সিকিমের গেলসিং এলাকায় প্রথম মূল ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৫ ও উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে।

প্রধান কম্পনটির রেশ কাটতে না কাটতেই শুরু হয় একের পর এক আফটারশক অর্থাৎ পরাঘাত।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সাড়ে চার ঘণ্টায় আরও ১২ বার কেঁপে ওঠে সিকিম। এর মধ্যে মঙ্গন এলাকায় ৭টি ও নামচিতে ৪টি কম্পন রেকর্ড করা হয়। এছাড়া রাজধানী গ্যাংটকেও ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়।

শীতের মাঝরাতে আকস্মিক এই ভূমিকম্পের ফলে সিকিমের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় হোটেল ও বাড়িঘর ছেড়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেন কয়েক হাজার মানুষ।

সূত্র: দ্য ওয়াল

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ