ইরানের প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর’কে (আইআরজিসি) সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে জোরালো আলোচনা শুরু করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
দীর্ঘদিনের দ্বিধাদ্বন্দ্বে ইতি টেনে বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ২৭টি সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই স্পর্শকাতর প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্কে বসছেন। এর আগে ফ্রান্স, ইতালি এবং স্পেনের মতো প্রভাবশালী দেশগুলো এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও সাম্প্রতিক সময়ে তাদের অবস্থানে নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে বলে জানা গেছে।
কূটনীতিকদের মতে, তেহরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান এবং রাশিয়াকে সামরিক সহায়তা প্রদানের অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়েই ইউরোপীয় দেশগুলো এখন আইআরজিসিকে কালো তালিকাভুক্ত করার পক্ষে মত দিচ্ছে।
এদিকে ইউরোপের এমন সম্ভাব্য পদক্ষেপের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী তকমা দেওয়া হলে তার পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর সেনাবাহিনীকেও সন্ত্রাসী হিসেবে ঘোষণা করবে তারা।
এর আগে ২০১৯ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র আইআরজিসি-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, তার প্রতিক্রিয়ায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম-কে সন্ত্রাসী হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল তেহরান। বর্তমানে কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইসরায়েলের মতো হাতেগোনা কয়েকটি দেশ আইআরজিসি-কে এই তালিকায় রেখেছে।
সূত্র: আরটি
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ