ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে হত্যা করার আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে ঘনিষ্ঠ গোয়েন্দা তথ্য আদান–প্রদান হয়েছে। এই অভিযান সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্র জানায়, সিআইএ
গোলাম হোসেইন মোহসেনি-ইজেই ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান। তিনি এখন ইন্টেরিম কাউন্সিল বা অন্তর্বর্তী পরিষদের একজন সদস্য। এই পরিষদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর পর তার দায়িত্ব পালন করছে। ইরনা জানিয়েছে, গোলাম
ইরান ঘোষণা করেছে যে দেশটির প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান এবং আইন যাচাই বাছাইয়ের দায়িত্বে থাকা শক্তিশালী সংস্থা গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন জুরি আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যু পরবর্তী অন্তর্বর্তী সময়ে দায়িত্ব পালন করবেন।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সেইসঙ্গে খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকারও করেছে সংগঠনটি। তারা ঘোষণা দিয়েছে,
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি (৮৬) নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে হবেন— তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ আলোচনা এ পর্যন্ত উঠে এসেছ ৫ জনের নাম। এরা হলেন— মোজতাবা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহত হয়েছেন। রবিবার (১ মার্চ) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এবং আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ এই
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে। এতে ইরানের কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। শনিবার (২৮
ইরানে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। পাল্টা আঘাত হানছে তেহরান—এ অবস্থায় তেল পরিবহনের অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেভাল মিশন
পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জেরে হঠাৎই ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে যৌথ এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে ২০টিরও
পারমাণবিক কর্মসূচি বিষয়ক আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার জেরে ইরানে আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে যৌথ এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে