ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

গ্যাস লিকেজের আগুনে দগ্ধ স্বামী ও ভাগনির পর মারা গেলেন ফাহিমাও

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহিমা আক্তারও (২১) মারা গেছেন। এর আগে এ ঘটনায় তার স্বামী শাহীন (২৪) ও ভাগনি হাফছা (৪) মারা যান। এ নিয়ে দগ্ধ তিনজনেরই মৃত্যু হলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফাহিমা। ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ ফাহিমা শনিবার রাত ১১টার দিকে আইসিইউতে মারা গেছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, এর আগে ফাহিমার স্বামী শাহীন ও ভাগনি হাফছাও আইসিইউতে মারা যান। শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে ভাটারার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক ভাগনি দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

শাহীনের প্রতিবেশী মো. জসিম বলেন, শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে ভাটারা থানার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসার নিচতলায় থাকতেন। মঙ্গলবার ভোরের দিকে বিকট শব্দে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে তাদের বাসায় বিস্ফোরণ হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘পথের পাঁচালী’ দেখে মুগ্ধ ক্রিস্টোফার নোলান, জানালেন সত্যজিৎ রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা

গ্যাস লিকেজের আগুনে দগ্ধ স্বামী ও ভাগনির পর মারা গেলেন ফাহিমাও

আপডেট সময় ১১:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ভাটারায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ ফাহিমা আক্তারও (২১) মারা গেছেন। এর আগে এ ঘটনায় তার স্বামী শাহীন (২৪) ও ভাগনি হাফছা (৪) মারা যান। এ নিয়ে দগ্ধ তিনজনেরই মৃত্যু হলো।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফাহিমা। ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ ফাহিমা শনিবার রাত ১১টার দিকে আইসিইউতে মারা গেছেন। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, এর আগে ফাহিমার স্বামী শাহীন ও ভাগনি হাফছাও আইসিইউতে মারা যান। শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার শরীরের ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।

গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরের দিকে ভাটারার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাড়িতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এ ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক ভাগনি দগ্ধ হন। পরে দগ্ধ তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

শাহীনের প্রতিবেশী মো. জসিম বলেন, শাহীন একটি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। পরিবার নিয়ে ভাটারা থানার নতুনবাজার ১০০ ফিট এলাকার একটি বাসার নিচতলায় থাকতেন। মঙ্গলবার ভোরের দিকে বিকট শব্দে গ্যাসের লাইন লিকেজ থেকে তাদের বাসায় বিস্ফোরণ হয়।

বাংলা৭১নিউজ/এবি