ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের নতুন অর্জন একেএস Logo ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা এখনও বিপৎসীমার ওপরে Logo প্রয়োজন হলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেব: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Logo কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল : স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইবে ইসি Logo পুলিশ পদকের তালিকা তাড়াহুড়োর সঙ্গে করা হয়েছিল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo একাধিক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক পুলিশ কর্মকর্তার, বিচার দাবি স্ত্রীর Logo হজ্জ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থার ঘোষণা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর Logo প্রাণ ভয়েই বিমান পাল্টে দ্রুত দেশে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বার্তা নিয়ে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তার এই ফলপ্রসূ সফরে তিনি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বার্তা নিয়িই দেশে ফিরলেন। 

শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি সফর সম্পন্ন করে দেশে পৌঁছান।

সফরের শুরুতে সেনাপ্রধান আঙ্কারায় তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ ‘আনিতকাবির’-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পর তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সেস সদরদপ্তর পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধানকে ঐতিহ্যবাহী ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

সফরকালে সেনাপ্রধান তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওলু, ল্যান্ড ফোর্সেসের কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল, ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনচ ইয়েতকিন এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার (এসএসবি) শীর্ষ প্রতিনিধিরা।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে অংশীদারত্ব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে যৌথ সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারে উভয় পক্ষই দৃঢ় আগ্রহ প্রকাশ করে।

প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিতে তুরস্কের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে সেনাপ্রধান দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ছিল এএসআইএসগার্ড, টিইউএসএএস, এমকেই, সারসিলমাজ, এসটিএম, রকেটসান, আসেলসান এবং বায়কার।

পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান এসব প্রতিষ্ঠানের আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে পারস্পরিক সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেনাপ্রধানের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময় ও প্রতিরক্ষা শিল্পের বাণিজ্যিক সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের নতুন অর্জন একেএস

প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বার্তা নিয়ে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

আপডেট সময় ০৯:৩১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে তুরস্ক থেকে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তার এই ফলপ্রসূ সফরে তিনি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধির বার্তা নিয়িই দেশে ফিরলেন। 

শনিবার (২৫ জুলাই) তিনি সফর সম্পন্ন করে দেশে পৌঁছান।

সফরের শুরুতে সেনাপ্রধান আঙ্কারায় তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম রাষ্ট্রপতি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের সমাধিসৌধ ‘আনিতকাবির’-এ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর পর তুর্কি ল্যান্ড ফোর্সেস সদরদপ্তর পরিদর্শনের সময় সেনাপ্রধানকে ঐতিহ্যবাহী ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়।

সফরকালে সেনাপ্রধান তুরস্কের উচ্চপর্যায়ের সামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াশার গুলের, সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ জেনারেল সেলচুক বায়রাকতারওলু, ল্যান্ড ফোর্সেসের কমান্ডার জেনারেল মেতিন তোকেল, ইস্তাম্বুল নেভাল শিপইয়ার্ডের পরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল রিসেপ এরদিনচ ইয়েতকিন এবং তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প সংস্থার (এসএসবি) শীর্ষ প্রতিনিধিরা।

বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা শিল্পে অংশীদারত্ব এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশলগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং ভবিষ্যতে যৌথ সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রসারে উভয় পক্ষই দৃঢ় আগ্রহ প্রকাশ করে।

প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিতে তুরস্কের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে সেনাপ্রধান দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি সামরিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। এর মধ্যে ছিল এএসআইএসগার্ড, টিইউএসএএস, এমকেই, সারসিলমাজ, এসটিএম, রকেটসান, আসেলসান এবং বায়কার।

পরিদর্শনকালে সেনাপ্রধান এসব প্রতিষ্ঠানের আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থা, নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে পারস্পরিক সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সেনাপ্রধানের এই সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময় ও প্রতিরক্ষা শিল্পের বাণিজ্যিক সম্পর্ক একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি