ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখবে ভারত Logo থাইল্যান্ড-জাপান-দক্ষিণ কোরিয়াসহ নতুন গন্তব্যে কর্মী পাঠানোর উদ্যোগ Logo তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মিশরের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি Logo ঢাকাকে বসবাসের যোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo শিল্প ভালো না হলে অর্থনীতি শক্তিশালী হবে না: অর্থমন্ত্রী Logo ‘সব নদীতে চলে গেছে, শুধু প্রাণটা নিয়ে বের হতে পেরেছি’ Logo প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হচ্ছে না আজ

বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে। শক্তিশালী প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ও সেবা খাতের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬ প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ প্রকাশিত এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্থাটি ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩.৭ শতাংশ এবং ২০২৭ অর্থবছরে ৪.৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধারাবাহিক সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি দেশের প্রবৃদ্ধির গতি আরও শক্তিশালী করবে।

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, কঠিন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও সেবা খাতের স্থিতিশীল কার্যক্রমের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করে চলেছে।

তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব সংস্কার বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা জোরদারেও সহায়ক হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কঠোর সামষ্টিক আর্থিক পরিবেশ সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ, সেবা খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তার কারণে ২০২৬ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি সমর্থন পাবে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ২০২৭ অর্থবছরে তা ধীরে ধীরে কমে ৮.৮ শতাংশে নেমে আসবে।

এডিবির মতে, মাঝারি পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা পরিচালনার বিধি-বিধান সহজীকরণ, সুশাসনের উন্নয়ন, কর প্রশাসন সংস্কার ও রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেবা খাত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে থাকবে। একই সঙ্গে চলমান সংস্কার কার্যক্রম ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করবে এবং মধ্যমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রবৃদ্ধি টেকসই রাখা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বহিরাগত অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্থিতিস্থাপকতা আরও জোরদার করতে ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কার এবং বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার বিষয়টি মাথায় রাখবে ভারত

বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রবৃদ্ধি কিছুটা শ্লথ হলেও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে : এডিবি

আপডেট সময় ০৩:৫৪:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিস্থাপকতা বজায় রয়েছে। শক্তিশালী প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ও সেবা খাতের স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রকাশিত সর্বশেষ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) জুলাই ২০২৬ প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ প্রকাশিত এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্থাটি ২০২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৩.৭ শতাংশ এবং ২০২৭ অর্থবছরে ৪.৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ধারাবাহিক সংস্কার ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি দেশের প্রবৃদ্ধির গতি আরও শক্তিশালী করবে।

এডিবির বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান আকিরা মাতসুনাগা বলেন, কঠিন বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিবেশের মধ্যেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ ও সেবা খাতের স্থিতিশীল কার্যক্রমের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি স্থিতিস্থাপকতা প্রদর্শন করে চলেছে।

তিনি বলেন, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, আর্থিক খাতের সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে ধারাবাহিক সংস্কার একটি শক্তিশালী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব সংস্কার বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতির স্থিতিস্থাপকতা জোরদারেও সহায়ক হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কঠোর সামষ্টিক আর্থিক পরিবেশ সত্ত্বেও শক্তিশালী রেমিট্যান্স প্রবাহ, সেবা খাতের ধারাবাহিক সম্প্রসারণ ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে লক্ষ্যভিত্তিক ঋণ সহায়তার কারণে ২০২৬ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধি সমর্থন পাবে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৯.০ শতাংশে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ২০২৭ অর্থবছরে তা ধীরে ধীরে কমে ৮.৮ শতাংশে নেমে আসবে।

এডিবির মতে, মাঝারি পর্যায়ের মূল্যস্ফীতি, ব্যবসা পরিচালনার বিধি-বিধান সহজীকরণ, সুশাসনের উন্নয়ন, কর প্রশাসন সংস্কার ও রেমিট্যান্সে প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ২০২৭ অর্থবছরে বেসরকারি ভোগব্যয় ও বিনিয়োগ আরও শক্তিশালী হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সেবা খাত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে থাকবে। একই সঙ্গে চলমান সংস্কার কার্যক্রম ব্যবসার পরিবেশ উন্নত করবে এবং মধ্যমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রবৃদ্ধি টেকসই রাখা, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বহিরাগত অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশের স্থিতিস্থাপকতা আরও জোরদার করতে ধারাবাহিক নীতিগত সংস্কার এবং বিচক্ষণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম