ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোমে শোকমিছিলে জনস্রোত, বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফন আয়াতুল্লাহ খামেনির

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রাজধানী তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমে আসে লাখো মানুষ। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

আল-জাজিরা ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হেলিকপ্টারে করে রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে খামেনির মরদেহ আনা হয়। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

এর আগে, তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় জড়ো হন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শোকসমাবেশের ব্যাপ্তি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।

শোকযাত্রায় একটি ট্রাকে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহও বহন করা হয়। শোকাহত মানুষ কফিনের ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট কফিনও ছিল।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাতে জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান জাফর মিয়াদফার জানিয়েছেন, শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই, কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কোমে শোকমিছিলে জনস্রোত, বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফন আয়াতুল্লাহ খামেনির

আপডেট সময় ১১:২৪:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে রাজধানী তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাস্তায় নেমে আসে লাখো মানুষ। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

আল-জাজিরা ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে জানায়, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হেলিকপ্টারে করে রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কোমে খামেনির মরদেহ আনা হয়। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহর মাশহাদে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।

এর আগে, তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো মানুষ রাস্তায় জড়ো হন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, এই শোকসমাবেশের ব্যাপ্তি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।

শোকযাত্রায় একটি ট্রাকে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলায় নিহত তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহও বহন করা হয়। শোকাহত মানুষ কফিনের ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী নাতনির ছোট কফিনও ছিল।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাতে জরুরি সেবা বিভাগের প্রধান জাফর মিয়াদফার জানিয়েছেন, শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই, কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএস