শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
শ্রেণিভেদে জুলাইযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি দেয়া হচ্ছে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানতে রেকর্ড! প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বাতিল হামের প্রকোপের মধ্যেই চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গু, আরও ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি এসএসএফের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নবনির্মিত ফায়ারিং রেঞ্জ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী বর্তমান সংসদের কোনো সদস্য ঋণখেলাপি নন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাবিত বাজেট বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে : আইনমন্ত্রী পর্যটনখাতে ২০৪০ সালের মধ্যে ২ কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে ওভেন ওনার কাছে কে চেয়েছে, পার্থকে বিরোধীদলীয় নেতা

ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প

বাংলা৭১নিউজ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

ইরানের জব্দ করা অর্থ শেষ পর্যন্ত ফেরত দিতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, ওই অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং ইরানের নিজস্ব সম্পদ। অর্থ ফেরত না দেওয়া হলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ডলারের প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে দেশটির পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জি-৭ সম্মেলন শেষে বুধবার ফ্রান্সে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ অর্থ জব্দ করে রেখেছে এবং একপর্যায়ে তা ফেরত দিতে হবে।

ট্রাম্পের ভাষায়, আমরা তাদের অনেক অর্থ নিয়েছি এবং সেই অর্থ আমাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের অর্থ নয়, এটি তাদের অর্থ। একসময় আমরা এটি জব্দ করেছিলাম। আমার মনে হয়, আমাদের তা ফেরত দিতেই হবে। কারণ আমরা যদি তা না দিই, তাহলে কেউ আর ডলারে বিনিয়োগ করতে চাইবে না।

গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর হয়। এতে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পাশাপাশি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার পথ উন্মুক্ত করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তির আওতায় আঞ্চলিক অংশীদারদের সহযোগিতায় ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা রয়েছে। তবে এই অর্থ সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র দেবে না বলে স্পষ্ট করেছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, আমরা কোনো অর্থ দিচ্ছি না। তারা সঠিকভাবে আচরণ করলেই কেবল এটি সম্ভব হবে। তারা যদি ঠিকভাবে চলে এবং কেউ বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বিনিয়োগ করতে পারবে। ৩০০ বিলিয়ন ডলারের এই তহবিলও সেই শর্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। সবকিছু নির্ভর করবে তারা কী করছে তার ওপর।

এ সময় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, ইরান ইতোমধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তারা সঠিক আচরণ শুরু করলেই কিছু না কিছু ঘটবে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশিত ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তির অংশ হিসেবে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গভর্নর বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফাভাবে আরোপিত প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার রাতে (স্থানীয় সময়) ফ্রান্সের ঐতিহাসিক ভার্সাই প্রাসাদে নৈশভোজের সময় ট্রাম্প এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উভয় পক্ষ জানিয়েছে, সমঝোতাটি ইতোমধ্যেই কার্যকর হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com