ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস Logo তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লি গেলেন ভারতীয় হাইকমিশনার Logo প্রধানমন্ত্রীকে কাশ্মীরি ‘কালো’ শাল : ফ্যাশন নাকি ডিপ্লোম্যাসির চতুর চাল! Logo ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিপাতে ১৬ জনের প্রাণহানি Logo মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ‘জাতির মূল্যবান বন্ধু’ বললেন তারেক রহমান Logo গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি মেসির আইনজীবীদের Logo বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভিসার এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট Logo দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক Logo ‎দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল Logo ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী

সড়ক-মহাসড়কে হতাহত কমাতে কাজ করছে সরকার

সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সোমবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

রবিউল আলম বলেন, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪-এর উপধারা (১) এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ১২৫-এর উপবিধি (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে গত ৭ মে ২০২৪ `মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিংয়ের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পিড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ।

এ ছাড়া ট্রাফিক ক্যালমিং ব্যবস্থা হিসেবে রাম্বল স্ট্রিপ, স্পিড কন্ট্রোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহাসড়কে আইটিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে গতিসীমা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোড সেফটি অডিট ও ট্রাফিক মনিটরিং পরিচালনার মাধ্যমে ব্ল্যাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস

সড়ক-মহাসড়কে হতাহত কমাতে কাজ করছে সরকার

আপডেট সময় ০৬:৫১:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এ কথা জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সোমবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

রবিউল আলম বলেন, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪-এর উপধারা (১) এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ১২৫-এর উপবিধি (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) মাধ্যমে গত ৭ মে ২০২৪ `মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করা হয়। এর মাধ্যমে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিংয়ের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পিড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ।

এ ছাড়া ট্রাফিক ক্যালমিং ব্যবস্থা হিসেবে রাম্বল স্ট্রিপ, স্পিড কন্ট্রোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মহাসড়কে আইটিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ, পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে গতিসীমা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সড়কের ধরন ও এলাকা বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোড সেফটি অডিট ও ট্রাফিক মনিটরিং পরিচালনার মাধ্যমে ব্ল্যাক স্পট শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ