মধ্যপ্রাচ্যে আবারও চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে ইরান।
একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাস রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছে দেশটি।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে- হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকার চলাচল নিয়ে উত্তেজনার জেরে কেশম দ্বীপ ও সিরিক অঞ্চলে তাদের যোগাযোগ অবকাঠামোতে মার্কিন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
এর জবাবে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ইউনিট কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদরদপ্তরের বিভিন্ন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় বলে জানানো হয়। আইআরজিসির বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় সময় রাত দেড়টার দিকে কয়েকটি ট্যাংকার অনুমতি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে। সতর্ক করার পর একটি ট্যাংকারে আঘাত হানা হয় এবং বাকি জাহাজগুলো ফিরে যায়।
এর কিছু সময় পরই ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের দুটি টেলিযোগাযোগ স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর প্রতিক্রিয়ায় কুয়েত ও বাহরাইনের মার্কিন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানো হয়।
পরিস্থিতির অবনতি হলে আইআরজিসি সতর্ক করে জানায়, এ ধরনের আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তার জবাব আরও কঠোর হবে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে তারা বলে, এর পরিণতির দায় মার্কিন-ইসরায়েলি জোটকেই বহন করতে হবে।
তথ্য সূত্র- দ্য গার্ডিয়ান।
বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ