বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
রাজধানী ঘিরে বৃত্তাকার সড়ক ও নৌপথের অগ্রগতি কতটা, জানলেন প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও অনলাইন প্রচারণা জোরদারের আহ্বান মির্জা ফখরুলের সদর হাসপাতালগুলোতে সিসিইউ চালু করা গেলে মৃত্যুহার কমানো সম্ভব : জুবাইদা রহমান সংবিধান সংস্কারে সুযোগ না পেলে জনগণের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের আন্দোলন চলবে সন্ত্রাসবাদকে কখনোই যৌক্তিক বলা যেতে পারে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী পাকিস্তানে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত এভারকেয়ারে নজরুল ইসলাম খান, ভিড় না করার অনুরোধ চিকিৎসকদের টেক্সটাইল, গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেবে সরকার : শিক্ষামন্ত্রী নতুন ৩ উপজেলা ও ১ থানা অনুমোদন সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির

নিষেধাজ্ঞা শেষে অভয়াশ্রমে মাছ ধরা শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে পটুয়াখালীর অভয়াশ্রম খ্যাত তেঁতুলিয়া নদীসহ দেশের পাঁচটি অভয়াশ্রমে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যরাত থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর জেলেরা নদীতে নামতে শুরু করেছেন। এতে জেলেদের মধ্যে ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য ও স্বস্তি।

সরকার ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ভোলা জেলার ভেদুরিয়া থেকে পটুয়াখালীর চর রুস্তম পর্যন্ত প্রায় ১০০ কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরা, পরিবহন ও বিপণন নিষিদ্ধ রাখে।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় বাউফল, কলাপাড়া, গলাচিপা, দশমিনা ও রাঙ্গাবালীসহ বিভিন্ন উপজেলার জেলেরা ইতোমধ্যে নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন। কোথাও ট্রলারে জাল তোলা, কোথাও ইঞ্জিন মেরামত, আবার কেউ জ্বালানি ও বরফ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

বাউফলের জেলে মো. রাশেদ বলেন, দুই মাস নদীতে যেতে পারিনি, সংসার চালাতে খুব কষ্ট হয়েছে। এখন আবার মাছ ধরতে পারবো—এই আশাতেই দিন গুনছিলাম।’
কলাপাড়ার মহিপুরের জেলে আব্দুল করিম বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেছি, কারণ এতে ইলিশ বাড়ে। তবে এই সময়ে যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়, তা পর্যাপ্ত নয়। প্রণোদনা বাড়ানো দরকার।

গলাচিপার জেলে নুর ইসলাম বলেন, দুই মাস কাজ না থাকায় অনেকেই ঋণ করতে বাধ্য হয়েছেন। এখন মাছ পেলে সেই ঋণ শোধ করতে পারবো বলে আশা করছি।’
রাঙ্গাবালীর জেলে সেলিম মাঝি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে নামার প্রস্তুতি শেষ করেছি। সরকার পাশে থাকলে নিয়ম মেনে চলা সহজ হবে।

জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারিভাবে খাদ্য সহায়তা পেলেও তা পরিবার চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। অনেককে বিকল্প কাজ করতে হয়েছে, আবার কেউ ধার-দেনা করে সংসার চালিয়েছেন।

স্থানীয় মৎস্য বিভাগ জানায়, প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের যৌথ তৎপরতায় এবার নিষেধাজ্ঞা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণ হয়েছে এবং উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজ বলেন, নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্যই হলো ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা। নিবন্ধিত জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এ সহায়তা বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com