ঢাকা ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস Logo তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর দিল্লি গেলেন ভারতীয় হাইকমিশনার Logo প্রধানমন্ত্রীকে কাশ্মীরি ‘কালো’ শাল : ফ্যাশন নাকি ডিপ্লোম্যাসির চতুর চাল! Logo ফিলিপাইনে ভারী বৃষ্টিপাতে ১৬ জনের প্রাণহানি Logo মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে ‘জাতির মূল্যবান বন্ধু’ বললেন তারেক রহমান Logo গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থার প্রস্তুতি মেসির আইনজীবীদের Logo বাংলাদেশ সফরে আসছেন ভিসার এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট Logo দেশের সব ব্যাংককে সতর্ক করলো বাংলাদেশ ব্যাংক Logo ‎দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল Logo ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো দ্রুতগতির রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে: রেলমন্ত্রী

পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, বাংলাদেশি হিসেবে প্রত্যেকের সমান অধিকার

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে পাহাড়ি-সমতলের সব মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে নজির রয়েছে, তা বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তারেক রহমান বলেন, “আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সব নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার।”

শনিবার (১১ এপ্রিল) বনানীতে এক অনুষ্ঠানে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চল এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

তিনি উল্লেখ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সবার ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে।

বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে বলেও শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

আকর্ষণীয় ব্যক্তিদের আলাদা করে তোলে যে অভ্যাস

পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, বাংলাদেশি হিসেবে প্রত্যেকের সমান অধিকার

আপডেট সময় ১০:২০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় সামাজিক উৎসব ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষ্যে পাহাড়ি-সমতলের সব মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলোর কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, ভৌগোলিক অবস্থান নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানপ্রদত্ত মৌলিক অধিকার রক্ষা ও সুরক্ষায় সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির যে নজির রয়েছে, তা বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তারেক রহমান বলেন, “আমাদের দেশের বিভিন্ন ছোট ছোট জাতিগোষ্ঠীর সম্প্রদায়সহ সব নাগরিকের সমান অগ্রগতি, বিকাশ, নিরাপত্তা ও সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। পাহাড়ে কিংবা সমতলে বসবাসকারী, একজন বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের সমান অধিকার।”

শনিবার (১১ এপ্রিল) বনানীতে এক অনুষ্ঠানে পার্বত্য এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জনসাধারণকে বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, চাংক্রান, বিষু ও চাংলান উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তিকে ঘিরে পার্বত্য অঞ্চল এলাকায় বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী প্রধান সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষ্যে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী বা ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রত্যেককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। একই সঙ্গে জানাই বাংলা নববর্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

তিনি উল্লেখ করেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সম্প্রদায় এবং পাহাড় ও সমতলে বসবাসকারী সবার ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব আমাদের জাতীয় উৎসবেরই অংশ। এসব উৎসব জাতীয় জীবনে শান্তি ও আনন্দ বয়ে নিয়ে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাহাড়ি জনপদের মানুষের জীবন ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ইতিহাস বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমাদের ঐতিহ্যকে গৌরবময়, প্রাচুর্যময় ও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি ও মিলনের অমিয় বাণী মিশে আছে আমাদের লোকজ ঐতিহ্যে।

বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর প্রধান সামাজিক উৎসব এবং বাংলা নববর্ষ সবার জীবনে অনাবিল সুখ ও শান্তি বয়ে আনবে বলেও শুভেচ্ছা বাণীতে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ