ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লাখ টাকা ঘুষসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ আটক ২

এক লাখ টাকা ঘুষসহ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আল-সাঈদকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময়ে তার সহযোগী হিসেবে কার্যসহকারী আবু নাসেরকেও আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম বিশেষ ফাঁদ পেতে তাকে আটক করে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। 

দুদক জানায়, সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে পাঁচটি প্রকল্পের কাজ সাব-কন্ট্রাক্ট হিসেবে সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে বিল দাখিল করলে পিআইও আল-সাঈদ বিল ছাড় করার বিনিময়ে তার কাছে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।

নিরুপায় হয়ে অভিযোগকারী ঘুষ দিতে সম্মত হন এবং বিষয়টি গোপনে দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়কে অবহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কমিশন একটি ‘ট্র্যাপ টিম’ বা ফাঁদ মামলা পরিচালনার অনুমোদন দেওয়ার পর আজ বিকেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুষের প্রথম কিস্তির ১ লাখ টাকা গ্রহণ করার সময় বিশেষ টিম আল-সাঈদ ও আবু নাসেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এসময় তাদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক করা দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে দুদক।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লাখ টাকা ঘুষসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ আটক ২

আপডেট সময় ০৪:২৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এক লাখ টাকা ঘুষসহ ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. আল-সাঈদকে হাতেনাতে আটক করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময়ে তার সহযোগী হিসেবে কার্যসহকারী আবু নাসেরকেও আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম বিশেষ ফাঁদ পেতে তাকে আটক করে।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য জানিয়েছেন। 

দুদক জানায়, সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে পাঁচটি প্রকল্পের কাজ সাব-কন্ট্রাক্ট হিসেবে সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে বিল দাখিল করলে পিআইও আল-সাঈদ বিল ছাড় করার বিনিময়ে তার কাছে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন।

নিরুপায় হয়ে অভিযোগকারী ঘুষ দিতে সম্মত হন এবং বিষয়টি গোপনে দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়কে অবহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কমিশন একটি ‘ট্র্যাপ টিম’ বা ফাঁদ মামলা পরিচালনার অনুমোদন দেওয়ার পর আজ বিকেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুষের প্রথম কিস্তির ১ লাখ টাকা গ্রহণ করার সময় বিশেষ টিম আল-সাঈদ ও আবু নাসেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এসময় তাদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক করা দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে দুদক।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ