ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মধ্যপ্রাচ্যে ‘সর্বোচ্চ সংযমের’ আহ্বান জানিয়ে ঘোষণাপত্র গ্রহণ করল ব্রিকস Logo দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ চায় ভারত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান Logo হজের টাকা এজেন্সিকে দিলে সেই টাকার যাকাত দিতে হবে? Logo ‘আমার চেয়ে ভালো কেউ নেই’, ব্যালন জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী এমবাপ্পে Logo ট্রাম্পের সরাসরি সাহায্য মিলছে না, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী মোকাবিলায় সংকটে সৌদি যুবরাজ Logo শেখ হাসিনা বিশ্বের সেরা অভিনেত্রী: স্পিকার Logo একসময় বল পায়ে লড়াই, এখন তারা সবাই চ্যাম্পিয়নস লিগের কোচ Logo চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার Logo ফেনীতে নিহত যুবদল নেতা ও অসহায় এক পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি উপহার Logo ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে ৩ জনকে বেছে নিলেন ডেম্বেলে

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার শেষ দিনে মা ও বাবার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দিনভর আটটি জনসভা শেষে রাত ১১টার দিকে তিনি শেরেবাংলা নগরে যান। সেখানে তিনি তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় তারেক রহমান শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীর আটটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (বনানী) ছাড়াও ঢাকা-১০ (কলাবাগান), ঢাকা-৮ (পীরজঙ্গী মাজার), ঢাকা-৯ (মান্ডা), ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী), ঢাকা-৪ (জুরাইন), ঢাকা-৬ (ধূপখোলা) এবং ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনের জনসভাগুলোতে অংশ নেন। এসব জনসভায় তিনি দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সমর্থন কামনা করেন।

এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে বিশেষ নির্বাচনী ভাষণ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে সম্প্রচারিত ওই ভাষণে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে জনগণের মালিকানা ফিরে পাওয়ার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সবাইকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণে তিনি ক্ষমতায় গেলে পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রদান এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।

এছাড়া সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটি পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। দল-মত নির্বিশেষে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি অতীতে দলের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তা সংশোধন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :

মধ্যপ্রাচ্যে ‘সর্বোচ্চ সংযমের’ আহ্বান জানিয়ে ঘোষণাপত্র গ্রহণ করল ব্রিকস

নির্বাচনী জনসভা শেষে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত করলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় ১০:৪৭:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণার শেষ দিনে মা ও বাবার কবর জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দিনভর আটটি জনসভা শেষে রাত ১১টার দিকে তিনি শেরেবাংলা নগরে যান। সেখানে তিনি তার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন।

এ সময় তারেক রহমান শহীদ জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ফাতেহা পাঠ করেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে তিনি দীর্ঘক্ষণ মোনাজাত করেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সোমবার সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারেক রহমান ঢাকা মহানগরীর আটটি জনসভায় বক্তব্য দেন। তিনি তার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ (বনানী) ছাড়াও ঢাকা-১০ (কলাবাগান), ঢাকা-৮ (পীরজঙ্গী মাজার), ঢাকা-৯ (মান্ডা), ঢাকা-৫ (যাত্রাবাড়ী), ঢাকা-৪ (জুরাইন), ঢাকা-৬ (ধূপখোলা) এবং ঢাকা-৭ (লালবাগ) আসনের জনসভাগুলোতে অংশ নেন। এসব জনসভায় তিনি দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরেন এবং আগামী দিনের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনগণের সমর্থন কামনা করেন।

এদিন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারে জাতির উদ্দেশে বিশেষ নির্বাচনী ভাষণ দেন বিএনপি চেয়ারপারসন। সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে সম্প্রচারিত ওই ভাষণে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে জনগণের মালিকানা ফিরে পাওয়ার একটি ঐতিহাসিক সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং সবাইকে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণে তিনি ক্ষমতায় গেলে পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বেকার গ্র্যাজুয়েটদের জন্য বিশেষ ভাতা প্রদান এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কার্ড’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান, মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথাও উল্লেখ করেন।

এছাড়া সংবিধানে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটি পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। দল-মত নির্বিশেষে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি অতীতে দলের কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য দেশবাসীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং তা সংশোধন করে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ