শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
‘সম্মিলিত উদ্যোগে টেকসই অঙ্গদান ও কিডনি প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব’ করিডরে বাংলাদেশ যুক্ত হলে ২৪ ঘণ্টায় চীনে পণ্য পৌঁছানো যাবে : বাণিজ্যমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফর পররাষ্ট্রনীতির মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে দেশে ফিরে বাবা-মায়ের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে : মির্জা ফখরুল চুক্তি হতে হবে সমতার ভিত্তিতে, সংসদকে পাশ কাটিয়ে কিছু নয় প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া এবং চীন সফরের জন্য সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর: ‘লুক ইস্ট’ থেকে ‘সিল্ক রোড’ যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ইরানের পাল্টা হামলা

‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তরের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে’

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৭ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫–কে আইনে রূপান্তর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে জনমত গঠন এবং ভবিষ্যতে যারা সরকার গঠন করবে, তাদের বোঝাতে হবে। এই অধ্যাদেশ আইন হিসেবে কার্যকর হলে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তা সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। পরবর্তী ধাপে আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) উবিনীগের আয়োজনে সিরডাপের ইন্টারন্যাশনাল হলে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ : স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যুগান্তকারী অর্জন—পরবর্তী করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, তামাক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পর্যায়ে পর্দার আড়ালে নানা গোষ্ঠী কাজ করে। তামাক চাষ, বিপণন ও বিক্রির মাধ্যমে কীভাবে মানুষকে আসক্ত করা হয়, সেই বিষয়গুলো আজকের আলোচনায় উঠে এসেছে। নীতি নির্ধারকদের প্রভাবিত করার মাধ্যমেও তামাক কোম্পানিগুলো গোপনে কাজ করে থাকে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

তিনি বলেন, কোনো কিছু তখনই আসক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়, যখন একজন ব্যক্তি জানে এটি তার জন্য ক্ষতিকর, তবুও সে তা ব্যবহার করে। ক্ষতি বুঝেও থামাতে না পারা, ব্যবহারে বাধা পেলে বিরক্ত হওয়া, বারবার ব্যবহার করার তাগিদ অনুভব করা এবং ব্যবহার বন্ধ করলে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় ভোগা এসবই আসক্তির লক্ষণ। এই অবস্থাকে উইথড্রয়াল ইফেক্ট বলা হয়, যার কারণে ব্যবহারকারী আবার মাদক বা সিগারেট গ্রহণে ফিরে যায়।

ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার আরও বলেন, মাদকের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো বারবার ছাড়ার চেষ্টা করে আবার শুরু করা। আসক্তির সব লক্ষণ থাকা সত্ত্বেও তামাককে এখনও মাদক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এর পেছনে রয়েছে আন্তর্জাতিক শ্রেণিবিন্যাস পদ্ধতি।

সেমিনারে ড. এম. এ. সোবহানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষাবিদ রাশেদা কে. চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব. শেখ মোমেনা মনি, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান।

বাংলা৭১নিউজ/এনএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2015-2026
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com