ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনা থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করতো: ফখরুল

আগে নৌকা আর ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নাই। নৌকার কাণ্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছে। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। আমাদেরকেও বিপদে ফেলে চলে গেছে। থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করতো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

মহাসচিব বলেন, আমরা ১৯৭১ সালকে মাথায় তুলে রাখতে চাই। কারণ একাত্তরই আমাদের ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব। পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতনের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। অথচ যারা শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে আজ তারা আবার দেশ শাসনের জন্য ভোট চাচ্ছে। তাদেরকে ভোট দিয়ে দেশের সর্বনাশ করবেন না।

হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, হিন্দু ভাই-বোনদের মধ্যে একটি ভয় কাজ করে— তারা সংখ্যালঘু, তাদের ওপর নির্যাতন হতে পারে। কিন্তু বিএনপি স্পষ্টভাবে বিশ্বাস করে, এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরিষ্কার করে বলে গেছেন এই দেশের সংখ্যালঘু কেউ নাই, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশের সবাই সমান নাগরিক। তাই কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সবাই বুক উঁচু করে দাঁড়াবেন, আমরা আপনাদের পাশেই থাকব।

 

বিএনপি মহাসচিব প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, বিএনপি সবসময় আপনাদের অধিকার রক্ষা করবে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার, বিশেষ করে মা-বোনদের অধিকার রক্ষায় বিএনপি আপসহীন থাকবে।

এসময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এনএস

Tag :

হাসিনা থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করতো: ফখরুল

আপডেট সময় ০২:৫২:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

আগে নৌকা আর ধানের শীষ ছিল। এবার নৌকা নাই। নৌকার কাণ্ডারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনা আপনাদের ফেলে ভারতে চলে গেছে। দিল্লিতে গিয়ে বসে আছে। আমাদেরকেও বিপদে ফেলে চলে গেছে। থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক অবস্থা বিরাজ করতো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের বিডি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনি গণসংযোগে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷

মহাসচিব বলেন, আমরা ১৯৭১ সালকে মাথায় তুলে রাখতে চাই। কারণ একাত্তরই আমাদের ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব। পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতনের কারণেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। অথচ যারা শেষ মুহূর্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করেছে আজ তারা আবার দেশ শাসনের জন্য ভোট চাচ্ছে। তাদেরকে ভোট দিয়ে দেশের সর্বনাশ করবেন না।

হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে তিনি বলেন, হিন্দু ভাই-বোনদের মধ্যে একটি ভয় কাজ করে— তারা সংখ্যালঘু, তাদের ওপর নির্যাতন হতে পারে। কিন্তু বিএনপি স্পষ্টভাবে বিশ্বাস করে, এই দেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরিষ্কার করে বলে গেছেন এই দেশের সংখ্যালঘু কেউ নাই, সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। এই দেশের সবাই সমান নাগরিক। তাই কাউকে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। সবাই বুক উঁচু করে দাঁড়াবেন, আমরা আপনাদের পাশেই থাকব।

 

বিএনপি মহাসচিব প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, বিএনপি সবসময় আপনাদের অধিকার রক্ষা করবে। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার, বিশেষ করে মা-বোনদের অধিকার রক্ষায় বিএনপি আপসহীন থাকবে।

এসময় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল হামিদসহ দলটির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা৭১নিউজ/এনএস