শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
উৎপাদন শুরুর অনুমতি পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ট্রাম্পের নতুন ২ দিবস, একটিতে সরকারি ছুটি ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে ফের যুদ্ধ শুরু হবে, হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী সরকার হামের টিকা দেশে না আনায় অনেক শিশু মারা গেছে স্বাধীনতা পদক হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: প্রধানমন্ত্রী পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৪ লেন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে : সড়কমন্ত্রী আওয়ামী লীগের আমলের হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে : আইনমন্ত্রী

মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণ

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা
  • আপডেট সময় বুধবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় পে স্কেল অনুযায়ী বেতন পাবেন ইমাম-মুয়াজ্জিনরা।সরাসরি সরকার পরিচালিত বায়তুল মোকাররমের মতো মসজিদগুলো ও নবনির্মিত ৫৬০টি মডেল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা সরাসরি সরকারি তহবিল বা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই স্কেলে বেতন পাবেন।

আর বেসরকারি বা স্থানীয় মসজিদগুলোর কর্মীদের বেতন দেওয়ার মূল দায়িত্ব স্থানীয় কমিটির হাতেই থাকবে।

মূলত, মসজিদগুলোর জনবল কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং বেতন বৈষম্য দূর করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি প্রকাশিত সরকারি গেজেটে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর আওতায় বিভিন্ন গ্রেডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ নীতিমালায় দেশের মসজিদগুলোর খতিব ব্যতীত অন্যান্য জনবলের গ্রেডভিত্তিক বেতনকাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে। খতিবের বেতন নির্ধারিত হবে চুক্তিপত্রের শর্তানুসারে। তবে, আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং পাঞ্জেগানা মসজিদের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুসারে বেতন-ভাতাদি নির্ধারণের জন্য বলা হয়েছে।

নীতিমালায় সিনিয়র পেশ ইমামকে জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ অনুযায়ী ৫ম, পেশ ইমামকে ৬ষ্ঠ ও ইমামকে ৯ম গ্রেডে বেতন দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। প্রধান মুয়াজ্জিনকে ১০ম, মুয়াজ্জিনকে ১১তম, প্রধান খাদিমকে ১৫তম, খাদিমকে ১৬তম, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জন্য ২০তম গ্রেড বেতন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এ নীতিমালায় মসজিদে কর্মরত জনবলের প্রয়োজন বিবেচনায় সামর্থ্য অনুসারে সপরিবারে আবাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাদের ভবিষ্যৎ কল্যাণের স্বার্থে মাসিক সঞ্চয়ের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া, চাকরি সমাপনান্তে এককালীন সম্মাননা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিদের ছুটি সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে এই নীতিমালায়।কমিটির অনুমোদনক্রমে প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪দিন সাপ্তাহিক ছুটি ভোগ করতে পারবেন মসজিদে কর্মরত ব্যক্তিরা। এছাড়া, পঞ্জিকাবর্ষে ২০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি ও প্রতি ১২ দিনে একদিন অর্জিত ছুটির বিধান রাখা হয়েছে।

এ নীতিমালা অনুসারে মসজিদের কোনো পদে নিয়োগের জন্য সাত সদস্যবিশিষ্ট বাছাই কমিটি থাকবে। এ কমিটির সুপারিশ ব্যতীত কোনো পদে সরাসরি নিয়োগ করা যাবে না। এছাড়া, মসজিদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বেতন-ভাতা, দায়িত্বাবলিসহ চাকরি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করে নিয়োগপত্র প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া, নারীদের জন্য মসজিদে শরিয়তসম্মতভাবে পৃথক নামাজের কক্ষ বা স্থান ব্যবস্থা রাখার বিষয়ে কমিটিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির কলেবর বৃদ্ধি করে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট করা হয়েছে। তবে মসজিদের আয়, আয়তন ও অবস্থান বিবেচনায় এ কমিটির সদস্য সংখ্যা কম-বেশি করার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া, নীতিমালা বাস্তবায়নে কোনো জটিলতা দেখা দিলে তা নিরসনের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটিও রয়েছে। এ নীতিমালা জারির মাধ্যমে ২০০৬ সালের মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালাটি রহিত করা হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/এবি

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com