ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী Logo বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবেন অমিত শাহ Logo অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মান সন্তোষজনক নয় : শিক্ষামন্ত্রী Logo রাজধানীতে তরুণীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের মামলায় ৫ আসামির রিমান্ড Logo ছানিপড়া রোগীদের বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিল জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন Logo টানা ২৫ মৌসুমে গোল করে নতুন বিশ্ব রেকর্ড রোনালদোর Logo ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক Logo গণহত্যার অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের Logo জেনেভা ক্যাম্পের কথিত ‘মাদক সম্রাট’ সেলিম ৩ দিনের রিমান্ডে Logo এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ

রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা

‘যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়’ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।দ্বীপটিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে এমন দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ।
ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’এ সময় সেন্ট মার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানান পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনে প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়।
পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের মূল কারণ।’তিনি আরো বলেন, ‘দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি, যেখানে কৃষি, মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানের প্রথম অগ্রাধিকার হবে সংরক্ষণ, অর্থনীতি ও পর্যটন পরে।
সেন্ট মার্টিন কোনো বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা।’উপদেষ্টা বলেন, ‘স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল-রিসোর্ট নির্ভরতার বিকল্প ও টেকসই পর্যটনের পথ। দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি বিষয় সরকারিভাবেই নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলা৭১নিউজ/এবি
Tag :

অল্প সময়ে জনগণের সব প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয় : পানিসম্পদমন্ত্রী

রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয় : রিজওয়ানা

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
‘যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়’ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেছেন, ‘ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।দ্বীপটিকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া হিসেবে ঘোষণার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনেক দেশে এমন দ্বীপে রাতযাপন নিষিদ্ধ।
ট্যুরিজম আর সেন্ট মার্টিন এক জিনিস নয়, লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।’এ সময় সেন্ট মার্টিন রক্ষায় প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যান ধাপে ধাপে বাস্তবায়নে সরকার কাজ করবে বলে জানান পরিবেশ উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সেন্ট মার্টিনে প্রস্তাবিত পাঁচটি মাস্টারপ্ল্যানের লক্ষ্য হচ্ছে দ্বীপটিকে আগের প্রাকৃতিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
যত বড় মাস্টারপ্ল্যানই হোক, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া সেন্ট মার্টিন রক্ষা সম্ভব নয়।
পর্যটন হতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক। বহিরাগত নিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যিক কার্যক্রমই দ্বীপের পরিবেশ ধ্বংসের মূল কারণ।’তিনি আরো বলেন, ‘দ্বীপবাসীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা জরুরি, যেখানে কৃষি, মৎস্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ভূমিকা প্রয়োজন। মাস্টারপ্ল্যানের প্রথম অগ্রাধিকার হবে সংরক্ষণ, অর্থনীতি ও পর্যটন পরে।
সেন্ট মার্টিন কোনো বারবিকিউ বা লাউডস্পিকারের জায়গা নয়, এটি প্রকৃতির কাছে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি এলাকা।’উপদেষ্টা বলেন, ‘স্থানীয়দের ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা গড়ে তুললে সেটিই হবে হোটেল-রিসোর্ট নির্ভরতার বিকল্প ও টেকসই পর্যটনের পথ। দ্বীপের ভাঙন, সংরক্ষণ ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি বিষয় সরকারিভাবেই নজরদারিতে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বাংলা৭১নিউজ/এবি