ঢাকা ০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo শিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর Logo ‘আমিরাতের’ জাহাজ আটক করে ইরানে নিয়ে নিয়ে গেছে বিপ্লবী গার্ড Logo বিয়ের কথা বলে আমবাগানে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয় মেরিনাকে : পুলিশ Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা আব্বাস-রুমিন ফারহানা-গাজী নজরুলসহ ভোট দেননি ৬ সংসদ সদস্য Logo নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে চীন দূতাবাসের অভিনন্দন Logo বনানীতে শায়িত হলেন তৌফীক নাওয়াজ, দীপু মনি ফিরছেন কারাগারে Logo জামায়াতে ইসলামী থেকে ‘ইসলাম’ শব্দ বাদ দিতে বললেন প্রতিমন্ত্রী নুর Logo রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদ পেলেন ৮৮ ভোট Logo ইয়াবাসহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার Logo রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন প্রতিদ্বন্দ্বী অলি আহমদ

বাবার সঙ্গে বিদেশ গিয়ে হারিয়ে যান ফরিদ, ২৫ বছর পর ফিরলেন দেশে

মাত্র ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে গিয়ে হারিয়ে যান ফরিদ। মানবপাচারের শিকার হয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরেছেন।

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে হারিয়েছেন দুই পা। এর মধ্যে কেটে গেছে দীর্ঘ ২৫ বছর। তার পরিবার ধরেই নিয়েছিল ফরিদ হয়ত আর বেঁচে নেই। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে।

দীর্ঘ ২৫ বছর পর দেশে ফিরেছেন ফরিদ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার আশকোনায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন তার অপেক্ষা কক্সবাজারের উখিয়ায় বৃদ্ধ মা নূরজাহান বেগমের সঙ্গে দেখা করা।

ফরিদের ছোট ভাই সৈয়দ আলম বলেন, ‘আমরা ধরে নিয়েছিলাম ফরিদ আর বেঁচে নেই।

কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, প্রায় ২৫ বছর আগে বাবার সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান ফরিদ। পরে তারা পৌঁছান পাকিস্তানে। সেখানে জীবিকার সন্ধানে কাজ করার সময় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন ফরিদ। পরে তার দুই পা কেটে ফেলতে হয়।

শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সুযোগ নিয়ে এক মানবপাচারকারী তাকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখায়। এরপর পাকিস্তান থেকে ইরান হয়ে তুরস্কে পৌঁছান ফরিদ। কিন্তু ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। তুরস্কের সমুদ্রতীরে পানি বিক্রি করে প্রায় ১৪ বছর কাটিয়েছেন তিনি। অনিয়মিত অভিবাসী হিসেবে সেখানে বসবাসের সময় দেশটির পুলিশ তাকে তিনবার আটক করে ক্যাম্পে রাখে। সবশেষ গ্রেপ্তারের পর তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ১৮ আগস্ট ভোর সোয়া ৫টার দিকে-৭১২ ফ্লাইটে তুরস্ক থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফরিদ। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। নিজের ও বাবা-মায়ের নাম এবং ‘উখিয়া, কক্সবাজার’ এই তথ্যটুকু ছাড়া তেমন কিছু বলতে পারছিলেন না।

বিমানবন্দরের এভসেক সিকিউরিটি তাকে পাওয়ার পর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের মাধ্যমে আশকোনা মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করে। এরপর ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তায় মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা পালং ইউনিয়নের নাছির পাড়ায় তার পরিবারের সন্ধান পান।

পরিবারের সন্ধান পাওয়ার পর গত ১৯ আগস্ট বিকেলে ভিডিও কলে ফরিদের সঙ্গে তার ছোট ভাই সৈয়দ আলমের কথা বলিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ২৫ বছর পর ভাইয়ের কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

কথোপকথনের একপর্যায়ে ফরিদের হাতে ছয়টি আঙুল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দ আলম। ছোটবেলার এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যই ফরিদের পরিচয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে ওঠে। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফরিদের বাবা আয়ুব আলী এখনো পাকিস্তানে রয়েছেন।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন,‘গত আট বছর বিমানবন্দরে আমরা ৪১ হাজার প্রবাসীকে সহায়তা দিতে পেরেছি। এর মধ্যে ফরিদের মতো ১৬৪ জন প্রবাসীকে তাদের পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করতে সক্ষম হয়েছি। ১৭ কোটি মানুষের দেশে কাউকে খুঁজে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া কঠিন কাজ। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাকের সমন্বিত উদ্যোগে এমন অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

তিনি বলেন, ‘শুধু পরিবারের কাছে ফেরানো নয়, ফরিদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আরও কিছু করতে চাই, যাতে তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।’

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডের রেইজ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও সরকারের যুগ্ম সচিব এ টি এম মাহবুবুল করিম বলেন, ‘মোহাম্মদ ফরিদের ঘটনা যে কাউকে স্পর্শ করবে। আমরা তার পাশে থাকব।’

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীরা বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ফরিদের মতো জটিল ও মানবিক ঘটনায় ব্র্যাক পাশে থাকায় এমন একটি মানবিক পুনর্মিলনের সাক্ষী হওয়া সম্ভব হয়েছে।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এ কে এম রাসেল বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে বিমানবন্দরে কাজ করছি। আজকের এই পুনর্মিলন দেখে এবং এই প্রক্রিয়ার অংশীদার হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’

দীর্ঘ ২৫ বছরের অন্ধকার পেরিয়ে অবশেষে আপন ঠিকানায় ফিরেছেন ফরিদ। এখন তার সামনে একটাই পথ-উখিয়ার নাছির পাড়ায় ফিরে মায়ের মুখোমুখি হওয়া। যে মা এত বছর ধরে বড় ছেলের ফেরার আশায় দিন গুনেছেন, এবার সেই অপেক্ষার শেষ হতে চলেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

শিক্ষক থেকে বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাবার সঙ্গে বিদেশ গিয়ে হারিয়ে যান ফরিদ, ২৫ বছর পর ফিরলেন দেশে

আপডেট সময় ০৫:০১:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

মাত্র ১০ বছর বয়সে বাবার হাত ধরে বিদেশে গিয়ে হারিয়ে যান ফরিদ। মানবপাচারের শিকার হয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরেছেন।

চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে হারিয়েছেন দুই পা। এর মধ্যে কেটে গেছে দীর্ঘ ২৫ বছর। তার পরিবার ধরেই নিয়েছিল ফরিদ হয়ত আর বেঁচে নেই। কিন্তু সেই অপেক্ষার অবসান হয়েছে।

দীর্ঘ ২৫ বছর পর দেশে ফিরেছেন ফরিদ।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ঢাকার আশকোনায় ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন তার অপেক্ষা কক্সবাজারের উখিয়ায় বৃদ্ধ মা নূরজাহান বেগমের সঙ্গে দেখা করা।

ফরিদের ছোট ভাই সৈয়দ আলম বলেন, ‘আমরা ধরে নিয়েছিলাম ফরিদ আর বেঁচে নেই।

কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।

ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম জানায়, প্রায় ২৫ বছর আগে বাবার সঙ্গে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান ফরিদ। পরে তারা পৌঁছান পাকিস্তানে। সেখানে জীবিকার সন্ধানে কাজ করার সময় চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন ফরিদ। পরে তার দুই পা কেটে ফেলতে হয়।

শারীরিক প্রতিবন্ধকতার সুযোগ নিয়ে এক মানবপাচারকারী তাকে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখায়। এরপর পাকিস্তান থেকে ইরান হয়ে তুরস্কে পৌঁছান ফরিদ। কিন্তু ইউরোপে যাওয়ার স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি। তুরস্কের সমুদ্রতীরে পানি বিক্রি করে প্রায় ১৪ বছর কাটিয়েছেন তিনি। অনিয়মিত অভিবাসী হিসেবে সেখানে বসবাসের সময় দেশটির পুলিশ তাকে তিনবার আটক করে ক্যাম্পে রাখে। সবশেষ গ্রেপ্তারের পর তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ১৮ আগস্ট ভোর সোয়া ৫টার দিকে-৭১২ ফ্লাইটে তুরস্ক থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান ফরিদ। দীর্ঘদিন বিদেশে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছিলেন না তিনি। নিজের ও বাবা-মায়ের নাম এবং ‘উখিয়া, কক্সবাজার’ এই তথ্যটুকু ছাড়া তেমন কিছু বলতে পারছিলেন না।

বিমানবন্দরের এভসেক সিকিউরিটি তাকে পাওয়ার পর প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের মাধ্যমে আশকোনা মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টারে হস্তান্তর করে। এরপর ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তায় মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার মরিচ্যা পালং ইউনিয়নের নাছির পাড়ায় তার পরিবারের সন্ধান পান।

পরিবারের সন্ধান পাওয়ার পর গত ১৯ আগস্ট বিকেলে ভিডিও কলে ফরিদের সঙ্গে তার ছোট ভাই সৈয়দ আলমের কথা বলিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ২৫ বছর পর ভাইয়ের কণ্ঠ শুনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা।

কথোপকথনের একপর্যায়ে ফরিদের হাতে ছয়টি আঙুল থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সৈয়দ আলম। ছোটবেলার এই শারীরিক বৈশিষ্ট্যই ফরিদের পরিচয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হয়ে ওঠে। পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফরিদের বাবা আয়ুব আলী এখনো পাকিস্তানে রয়েছেন।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল ইসলাম হাসান বলেন,‘গত আট বছর বিমানবন্দরে আমরা ৪১ হাজার প্রবাসীকে সহায়তা দিতে পেরেছি। এর মধ্যে ফরিদের মতো ১৬৪ জন প্রবাসীকে তাদের পরিবারের কাছে নিরাপদে হস্তান্তর করতে সক্ষম হয়েছি। ১৭ কোটি মানুষের দেশে কাউকে খুঁজে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া কঠিন কাজ। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাকের সমন্বিত উদ্যোগে এমন অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়।

তিনি বলেন, ‘শুধু পরিবারের কাছে ফেরানো নয়, ফরিদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আরও কিছু করতে চাই, যাতে তিনি ঘুরে দাঁড়াতে পারেন।’

ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ডের রেইজ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও সরকারের যুগ্ম সচিব এ টি এম মাহবুবুল করিম বলেন, ‘মোহাম্মদ ফরিদের ঘটনা যে কাউকে স্পর্শ করবে। আমরা তার পাশে থাকব।’

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের উপপরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীরা বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ফরিদের মতো জটিল ও মানবিক ঘটনায় ব্র্যাক পাশে থাকায় এমন একটি মানবিক পুনর্মিলনের সাক্ষী হওয়া সম্ভব হয়েছে।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা এ কে এম রাসেল বলেন, ‘আমি দুই বছর ধরে বিমানবন্দরে কাজ করছি। আজকের এই পুনর্মিলন দেখে এবং এই প্রক্রিয়ার অংশীদার হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’

দীর্ঘ ২৫ বছরের অন্ধকার পেরিয়ে অবশেষে আপন ঠিকানায় ফিরেছেন ফরিদ। এখন তার সামনে একটাই পথ-উখিয়ার নাছির পাড়ায় ফিরে মায়ের মুখোমুখি হওয়া। যে মা এত বছর ধরে বড় ছেলের ফেরার আশায় দিন গুনেছেন, এবার সেই অপেক্ষার শেষ হতে চলেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ