ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ : ৪ ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক দুটি মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনার আদালত। এ ছাড়া ৯ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৪ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর এলাকার গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কেন্দ্র ব্যবস্থাপক রুনা লায়লা, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. ইনছার আলী, সাবেক দ্বিতীয় কর্মকর্তা রণেশ বিশ্বাস ও একই ব্যাংকের সাবেক কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মমতাজ পারভীন। রায়ের সময় আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খুলনা সমন্বিত কার্যালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মোফাক্কার হোসেন মনি জানান, ২০১৪ সালের ৩০ মে গ্রামীণ ব্যাংকের চন্দনপুর শাখার ১৯৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক এস এম শামীম ইকবাল বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন।

এর মধ্যে ৮/২২ নম্বর মামলায় ইনছার আলী, মমতাজ পারভীন ও রমেশ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ১২৬ জন গ্রাহকের ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত মামলার পৃথক দুটি ধারায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

এ ছাড়া দায়ের করা ৪/২২ নম্বরের অপর মামলায় আদালত রুনা লায়লা, রমেশ বিশ্বাস ও ইনছার আলীকে দুটি পৃথক ধারায় ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অভিযুক্তরা এখানে ৬৭ জন গ্রাহকের ৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

মোফাক্কার হোসেন মনি আরো বলেন, আদালত পৃথক দুটি মামলায় ১৯৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা অর্থের সমপরিমাণ টাকা আসামিদের জরিমানা করেছেন। তবে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো দুই বছর করে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ : ৪ ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৫:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক দুটি মামলায় গ্রামীণ ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকে ৩০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন খুলনার আদালত। এ ছাড়া ৯ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৪ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) আদালতের বিচারক মোহা. আদীব আলী এ রায় দেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর এলাকার গ্রামীণ ব্যাংকের সাবেক কেন্দ্র ব্যবস্থাপক রুনা লায়লা, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মো. ইনছার আলী, সাবেক দ্বিতীয় কর্মকর্তা রণেশ বিশ্বাস ও একই ব্যাংকের সাবেক কেন্দ্র ব্যবস্থাপক মমতাজ পারভীন। রায়ের সময় আসামিরা অনুপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) খুলনা সমন্বিত কার্যালয়ের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মোফাক্কার হোসেন মনি জানান, ২০১৪ সালের ৩০ মে গ্রামীণ ব্যাংকের চন্দনপুর শাখার ১৯৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক এস এম শামীম ইকবাল বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন।

এর মধ্যে ৮/২২ নম্বর মামলায় ইনছার আলী, মমতাজ পারভীন ও রমেশ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ১২৬ জন গ্রাহকের ৫ লাখ ৬১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। আদালত মামলার পৃথক দুটি ধারায় তাদের প্রত্যেককে ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

এ ছাড়া দায়ের করা ৪/২২ নম্বরের অপর মামলায় আদালত রুনা লায়লা, রমেশ বিশ্বাস ও ইনছার আলীকে দুটি পৃথক ধারায় ১৫ বছর করে মোট ৩০ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। অভিযুক্তরা এখানে ৬৭ জন গ্রাহকের ৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন।

মোফাক্কার হোসেন মনি আরো বলেন, আদালত পৃথক দুটি মামলায় ১৯৩ জন গ্রাহকের কাছ থেকে মোট ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা অর্থের সমপরিমাণ টাকা আসামিদের জরিমানা করেছেন। তবে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরো দুই বছর করে মোট ৪ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ