ঢাকা ০৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

সাবেক বাসচালকের বাসায় টাকার পাহাড়ের সন্ধান, গুনতে গিয়ে বিকল ৫ মেশিন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে এক সাবেক বাসচালকের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড় গুনতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন পুলিশ ও ব্যাংক কর্মকর্তারা। নগদ টাকার পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে টাকা গণনার ৫টি যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

বুধবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া এই নজিরবিহীন অভিযানে সাবেক বাসচালক মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ অন্তত ২৮ কোটি রুপি এবং ১৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত মোট অবৈধ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯ কোটি রুপিতে।

গ্রেফতার মিনার মণ্ডল পেশায় একজন সাবেক বাসচালক হলেও তিনি পাথর ব্যবসায়ী তুলু মণ্ডলের আত্মীয়। এই তুলু মণ্ডল আবার সাবেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত, যিনি চলতি মাসের শুরুর দিকে ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে শুরু হওয়া এই তল্লাশি অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়েই ৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি গণনা করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু রাত গড়িয়ে সকাল হতেই উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়ে ২৮ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। অভিযান শেষে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ জব্দের পর মিনার মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনার স্বীকার করেছেন যে, উদ্ধার হওয়া এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণ প্রকৃতপক্ষে তুলু মণ্ডল এবং তার কথিত অবৈধ সিন্ডিকেটের।

পুলিশ জানায়, মিনার নিজেও বর্তমানে পাথর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তুলু মণ্ডলের মালিকানাধীন বিভিন্ন পাথর খাদান ও ক্রাশিং ইউনিটের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কোন উৎস থেকে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ তার হাতে এলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ প্রশাসন। বিশাল পুলিশ দল নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই এই পুরো অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, বালু ও পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই সাফল্য প্রশংসনীয়। গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে বীরভূমের মোহাম্মদ বাজার থানার অধীনে অবৈধ পাথর মাফিয়া তুলু মণ্ডল ওরফে মোহাম্মদ নাজিবউদ্দীনের গোপন আস্তানায় বড় ধরনের অভিযান চালায় বীরভূম জেলা পুলিশ।

সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি নগদ এবং ১৫ কেজি স্বর্ণ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী এই অভিযান ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করে অব্যাহত থাকবে। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, সরকারি সম্পদ লুট করে এবং তৎকালীন শাসকদলের সঙ্গে আঁতাত করে যারা অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, মিনার মণ্ডল পূর্বে রাজ্য পরিবহন দফতরের একজন কর্মচারী ছিলেন এবং বাসচালক হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি পরিবহন ছেড়ে পাথর ব্যবসায় যুক্ত হন। তবে একজন সাধারণ বাসচালক থেকে তিনি কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেন, তা এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ। এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্ক ও কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই অভ্যন্তরীণ দলের নেতারা এই অবৈধ সম্পদের উৎস এবং অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে অভিযুক্তদের সম্পর্ক নিয়ে একে অপরের ওপর দোষারোপ করছেন।

তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ আনন্দবাজার ও এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, কয়েকজন নেতা নিজেদের ভালো প্রমাণ করতে তৃণমূলের ছাতার নিচে এসেছেন, যাতে তারা নিজেদের অবৈধ সম্পদ লুকিয়ে রাখতে পারেন। যাদের বাড়ি থেকে এই টাকা উদ্ধার হয়েছে, তারা তথাকথিত মডেল নেতাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সত্য সামনে আসা উচিত। প্রয়োজনে পুলিশ ওই প্রভাবশালী নেতাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করুক।

অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি মন্তব্য করেন, বীরভূমকে সব সময় নির্দিষ্ট কিছু সাবেক মন্ত্রী ও বীরভূমের বাঘ বলে পরিচিত নেতাদের ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য বলে মনে করা হতো, সেখানে অন্য কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর এখন তদন্ত করে দেখা উচিত, এই অভিযুক্তদের সঙ্গে সেসব প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্ক ঠিক কতখানি ছিল।

তবে ঋতব্রত শিবিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত তৃণমূল বিধায়ক প্রসুন ব্যানার্জি পাল্টা মন্তব্য করে বলেন, পুলিশকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিশাল পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের জন্য। তবে এই টাকা কার এবং এতে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা পুলিশের দায়িত্ব।

বিপুল পরিমাণ এই নগদ টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধারের পর আবারও আলোচনায় এসেছে ২০২৪ সালে বীরভূমের সিউড়িতে তুলু মণ্ডলের আয়োজিত তার মেয়ের জমকালো বিয়ের বিষয়টি। জানা গেছে, সেই বিয়েতে টলিউড ও বলিউডের বিখ্যাত তারকাদের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দেখা গিয়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রমতে, সেই বিয়ের আয়োজনে প্রায় ১০০ কোটি রুপি খরচ করা হয়েছিল। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন অঙ্কুশ হাজরা, দর্শনা বণিক, আরবাজ খান এবং জেরিন খানের মতো প্রখ্যাত অভিনয়শিল্পীরা।

এই আবহে উদ্ধার হওয়া বিপুল সম্পদের পেছনের আসল কারিগর ও সিন্ডিকেটের সন্ধান পেতে তদন্ত আরও জোরদার করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

সূত্র: এনডিটিভি

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতে সোপর্দ করা হলো শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে

সাবেক বাসচালকের বাসায় টাকার পাহাড়ের সন্ধান, গুনতে গিয়ে বিকল ৫ মেশিন

আপডেট সময় ০১:০৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে এক সাবেক বাসচালকের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া টাকার পাহাড় গুনতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন পুলিশ ও ব্যাংক কর্মকর্তারা। নগদ টাকার পরিমাণ এতটাই বেশি ছিল যে টাকা গণনার ৫টি যন্ত্র বিকল হয়ে পড়ে।

বুধবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া এই নজিরবিহীন অভিযানে সাবেক বাসচালক মিনার মণ্ডলের বাড়ি থেকে নগদ অন্তত ২৮ কোটি রুপি এবং ১৫ কেজি স্বর্ণ জব্দ করা হয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২১ কোটি রুপি। সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত মোট অবৈধ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৯ কোটি রুপিতে।

গ্রেফতার মিনার মণ্ডল পেশায় একজন সাবেক বাসচালক হলেও তিনি পাথর ব্যবসায়ী তুলু মণ্ডলের আত্মীয়। এই তুলু মণ্ডল আবার সাবেক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত, যিনি চলতি মাসের শুরুর দিকে ঋতব্রত ব্যানার্জির নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে শুরু হওয়া এই তল্লাশি অভিযানের প্রাথমিক পর্যায়েই ৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি গণনা করা সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু রাত গড়িয়ে সকাল হতেই উদ্ধারকৃত অর্থের পরিমাণ বেড়ে ২৮ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। অভিযান শেষে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ জব্দের পর মিনার মণ্ডলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনার স্বীকার করেছেন যে, উদ্ধার হওয়া এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণ প্রকৃতপক্ষে তুলু মণ্ডল এবং তার কথিত অবৈধ সিন্ডিকেটের।

পুলিশ জানায়, মিনার নিজেও বর্তমানে পাথর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তুলু মণ্ডলের মালিকানাধীন বিভিন্ন পাথর খাদান ও ক্রাশিং ইউনিটের সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। কোন উৎস থেকে কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও স্বর্ণ তার হাতে এলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ প্রশাসন। বিশাল পুলিশ দল নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাই এই পুরো অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযানের পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন, বালু ও পাথর মাফিয়াদের বিরুদ্ধে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই সাফল্য প্রশংসনীয়। গোপন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে বীরভূমের মোহাম্মদ বাজার থানার অধীনে অবৈধ পাথর মাফিয়া তুলু মণ্ডল ওরফে মোহাম্মদ নাজিবউদ্দীনের গোপন আস্তানায় বড় ধরনের অভিযান চালায় বীরভূম জেলা পুলিশ।

সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ রুপি নগদ এবং ১৫ কেজি স্বর্ণ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী এই অভিযান ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ অনুসরণ করে অব্যাহত থাকবে। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, সরকারি সম্পদ লুট করে এবং তৎকালীন শাসকদলের সঙ্গে আঁতাত করে যারা অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, মিনার মণ্ডল পূর্বে রাজ্য পরিবহন দফতরের একজন কর্মচারী ছিলেন এবং বাসচালক হিসেবে কাজ করতেন। পরে তিনি পরিবহন ছেড়ে পাথর ব্যবসায় যুক্ত হন। তবে একজন সাধারণ বাসচালক থেকে তিনি কীভাবে এত বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেন, তা এখনো ধোঁয়াশাপূর্ণ। এই ঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে চরম বিতর্ক ও কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই অভ্যন্তরীণ দলের নেতারা এই অবৈধ সম্পদের উৎস এবং অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে অভিযুক্তদের সম্পর্ক নিয়ে একে অপরের ওপর দোষারোপ করছেন।

তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ আনন্দবাজার ও এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, কয়েকজন নেতা নিজেদের ভালো প্রমাণ করতে তৃণমূলের ছাতার নিচে এসেছেন, যাতে তারা নিজেদের অবৈধ সম্পদ লুকিয়ে রাখতে পারেন। যাদের বাড়ি থেকে এই টাকা উদ্ধার হয়েছে, তারা তথাকথিত মডেল নেতাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সত্য সামনে আসা উচিত। প্রয়োজনে পুলিশ ওই প্রভাবশালী নেতাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করুক।

অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি মন্তব্য করেন, বীরভূমকে সব সময় নির্দিষ্ট কিছু সাবেক মন্ত্রী ও বীরভূমের বাঘ বলে পরিচিত নেতাদের ব্যক্তিগত সাম্রাজ্য বলে মনে করা হতো, সেখানে অন্য কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর এখন তদন্ত করে দেখা উচিত, এই অভিযুক্তদের সঙ্গে সেসব প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্ক ঠিক কতখানি ছিল।

তবে ঋতব্রত শিবিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত তৃণমূল বিধায়ক প্রসুন ব্যানার্জি পাল্টা মন্তব্য করে বলেন, পুলিশকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিশাল পরিমাণ অর্থ উদ্ধারের জন্য। তবে এই টাকা কার এবং এতে কারা জড়িত, তা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে দেখা পুলিশের দায়িত্ব।

বিপুল পরিমাণ এই নগদ টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধারের পর আবারও আলোচনায় এসেছে ২০২৪ সালে বীরভূমের সিউড়িতে তুলু মণ্ডলের আয়োজিত তার মেয়ের জমকালো বিয়ের বিষয়টি। জানা গেছে, সেই বিয়েতে টলিউড ও বলিউডের বিখ্যাত তারকাদের আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে দেখা গিয়েছিল। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রমতে, সেই বিয়ের আয়োজনে প্রায় ১০০ কোটি রুপি খরচ করা হয়েছিল। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন অঙ্কুশ হাজরা, দর্শনা বণিক, আরবাজ খান এবং জেরিন খানের মতো প্রখ্যাত অভিনয়শিল্পীরা।

এই আবহে উদ্ধার হওয়া বিপুল সম্পদের পেছনের আসল কারিগর ও সিন্ডিকেটের সন্ধান পেতে তদন্ত আরও জোরদার করেছে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

সূত্র: এনডিটিভি

বাংলা৭১নিউজ/এসএএইচ