ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo রক্তঝরা ২৪ জুলাই: স্মৃতির ক্যানভাসে অশ্রু আর ক্ষোভ Logo ফ্ল্যাট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার Logo ইতিহাস, স্থাপত্য ও ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী তেরশ্রী মসজিদ Logo মাংস, ডিম ও ব্রয়লারের দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে মাছের দাম Logo সম্পর্কে যেভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে ‘প্যারালাল লাইফ সিন্ড্রোম’ Logo শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হতে দেব না: ভিডিও বার্তায় মোদী Logo আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি Logo ফরিদপুরে বিএনপি নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দল থেকে বহিষ্কার Logo স্পিকার ফিরলেই পদত্যাগপত্র দেবেন রাষ্ট্রপতি, জানিয়ে দিয়েছেন বঙ্গভবনের কর্মকর্তাদেরও Logo নৌ অবরোধ তুলে নিয়ে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার আহ্বান আসিয়ানের

শতবর্ষী বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের ঘরে আনতে মরক্কোর বিশাল প্রস্তুতি

বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরের ফাইনাল ম্যাচটি আয়োজনের স্বাগতিক অধিকার পেতে এখন মুখোমুখি অবস্থানে স্পেন ও মরক্কো। প্রথম আসরের ঠিক ১০০ বছর পর, ২০৩০ সালের এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশজুড়ে।

২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের মাটিতে দেখতে মুখিয়ে আছে মরক্কো, আর তাই তারা তৈরি করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম। তবে মরক্কোর এই বিশাল স্বপ্নের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের ঐতিহাসিক ভেন্যু ‘সান্তিয়াগো বার্নাবু’। প্রায় ১৯১ কোটি ডলার ব্যয়ে নতুন রূপে সংস্কার করা রিয়াল মাদ্রিদের এই স্টেডিয়ামটি এখন পর্যন্ত ফাইনাল আয়োজনের মূল দাবিদার হিসেবে দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

কাসাব্লাঙ্কার প্রায় ২৫ মাইল উত্তরে ‘এল মনসুরিয়া’-তে নির্মাণাধীন ‘গ্র্যান্ড স্টেডিয়াম হাসান ২’-এর কাজ এগিয়ে যাওয়ার নতুন কিছু ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। এই স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসে খেলা দেখতে পারবেন—যা উত্তর কোরিয়ার ‘রুংরাডো ফার্স্ট অফ মে’ স্টেডিয়ামের চেয়ে ১,০০০ আসন বেশি।

২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এই স্টেডিয়ামটিতে মরক্কো জাতীয় দলের পাশাপাশি স্থানীয় বিখ্যাত দুই ক্লাব ‘রাজা সিএ’ এবং ‘ওয়াইদাদ এসি’ তাদের ম্যাচগুলো খেলবে।

মরক্কোর নিজস্ব সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে একটি ‘মুসেম’ তম্বুর আদলে এর চোখধাঁধানো অ্যালুমিনিয়ামের ছাদটি ডিজাইন করা হয়েছে। খ্যাতনামা আর্কিটেকচারাল ফার্ম ‘পপুলাস’ এবং মরক্কোর স্থপতি প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ালালো + চয়’ যৌথভাবে এর নকশা তৈরি করেছে।

বিশাল বাগানঘেরা আশপাশের এলাকা এবং অন্তত ১২ হাজার ভিআইপি ও হ অতিথির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটি ফিফার যেকোনো চাহিদার সঙ্গে একদম হুবহু মিলে যায়। বিলিয়ন ডলারের মেগা-স্টেডিয়ামগুলোর এই যুগে সরকার মাত্র ৫০ কোটি ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি শেষ করার আশা করছে, যা সত্যিই বেশ সাশ্রয়ী। কোনো অর্থহীন বা বোঝা হয়ে থাকা প্রকল্প এড়িয়ে চলতে স্টেডিয়ামটিকে মূল কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে চারপাশে একটি প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও বিনোদন জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রক্তঝরা ২৪ জুলাই: স্মৃতির ক্যানভাসে অশ্রু আর ক্ষোভ

শতবর্ষী বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের ঘরে আনতে মরক্কোর বিশাল প্রস্তুতি

আপডেট সময় ০৯:৪০:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের শতবর্ষী আসরের ফাইনাল ম্যাচটি আয়োজনের স্বাগতিক অধিকার পেতে এখন মুখোমুখি অবস্থানে স্পেন ও মরক্কো। প্রথম আসরের ঠিক ১০০ বছর পর, ২০৩০ সালের এই ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ আয়োজিত হতে যাচ্ছে তিনটি মহাদেশের ছয়টি দেশজুড়ে।

২০৩০ বিশ্বকাপের ফাইনাল নিজেদের মাটিতে দেখতে মুখিয়ে আছে মরক্কো, আর তাই তারা তৈরি করছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম। তবে মরক্কোর এই বিশাল স্বপ্নের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্পেনের ঐতিহাসিক ভেন্যু ‘সান্তিয়াগো বার্নাবু’। প্রায় ১৯১ কোটি ডলার ব্যয়ে নতুন রূপে সংস্কার করা রিয়াল মাদ্রিদের এই স্টেডিয়ামটি এখন পর্যন্ত ফাইনাল আয়োজনের মূল দাবিদার হিসেবে দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে।

কাসাব্লাঙ্কার প্রায় ২৫ মাইল উত্তরে ‘এল মনসুরিয়া’-তে নির্মাণাধীন ‘গ্র্যান্ড স্টেডিয়াম হাসান ২’-এর কাজ এগিয়ে যাওয়ার নতুন কিছু ভিডিও ফুটেজ সামনে এসেছে। এই স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক বসে খেলা দেখতে পারবেন—যা উত্তর কোরিয়ার ‘রুংরাডো ফার্স্ট অফ মে’ স্টেডিয়ামের চেয়ে ১,০০০ আসন বেশি।

২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এই স্টেডিয়ামটিতে মরক্কো জাতীয় দলের পাশাপাশি স্থানীয় বিখ্যাত দুই ক্লাব ‘রাজা সিএ’ এবং ‘ওয়াইদাদ এসি’ তাদের ম্যাচগুলো খেলবে।

মরক্কোর নিজস্ব সংস্কৃতিকে সম্মান জানিয়ে একটি ‘মুসেম’ তম্বুর আদলে এর চোখধাঁধানো অ্যালুমিনিয়ামের ছাদটি ডিজাইন করা হয়েছে। খ্যাতনামা আর্কিটেকচারাল ফার্ম ‘পপুলাস’ এবং মরক্কোর স্থপতি প্রতিষ্ঠান ‘ওয়ালালো + চয়’ যৌথভাবে এর নকশা তৈরি করেছে।

বিশাল বাগানঘেরা আশপাশের এলাকা এবং অন্তত ১২ হাজার ভিআইপি ও হ অতিথির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটি ফিফার যেকোনো চাহিদার সঙ্গে একদম হুবহু মিলে যায়। বিলিয়ন ডলারের মেগা-স্টেডিয়ামগুলোর এই যুগে সরকার মাত্র ৫০ কোটি ডলার ব্যয়ে প্রকল্পটি শেষ করার আশা করছে, যা সত্যিই বেশ সাশ্রয়ী। কোনো অর্থহীন বা বোঝা হয়ে থাকা প্রকল্প এড়িয়ে চলতে স্টেডিয়ামটিকে মূল কেন্দ্রবিন্দু বানিয়ে চারপাশে একটি প্রাণবন্ত খেলাধুলা ও বিনোদন জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস