ঢাকা ০২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে বন্যার মধ্যে সাপের কামড়ে আক্রান্ত ৭৫

বন্যায় চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে মোট ৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২০ থেকে ২৫ জন।

রোববার (১২ জুলাই) এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষ মেডিকেল টিম কাজ করছে। এসব দল দুর্গত এলাকায় গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করছে। বিশেষ করে প্লাবিত এলাকায় কোনো গর্ভবতী নারী বা অসুস্থ শিশু থাকলে তাদের নৌকায় করে হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্যার কারণে আশ্রয়কেন্দ্র ও বসতবাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সাপের কামড়ের ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৫ জন আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সাপে কাটার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একই সময়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ২০ থেকে ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও স্যানিটেশন সমস্যার কারণে পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে বন্যার মধ্যে সাপের কামড়ে আক্রান্ত ৭৫

আপডেট সময় ১১:৫৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

বন্যায় চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত সাপের কামড়ে মোট ৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। একই সময়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২০ থেকে ২৫ জন।

রোববার (১২ জুলাই) এসব তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষ মেডিকেল টিম কাজ করছে। এসব দল দুর্গত এলাকায় গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাবার স্যালাইন বিতরণ করছে। বিশেষ করে প্লাবিত এলাকায় কোনো গর্ভবতী নারী বা অসুস্থ শিশু থাকলে তাদের নৌকায় করে হাসপাতালে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বন্যার কারণে আশ্রয়কেন্দ্র ও বসতবাড়িতে সাপের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় সাপের কামড়ের ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৫ জন আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সাপে কাটার চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একই সময়ে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ২০ থেকে ২৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর দূষিত পানি, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও স্যানিটেশন সমস্যার কারণে পানিবাহিত রোগের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 

বাংলা৭১নিউজ/জেএস